নাম ভাপা, কিন্তু মালদহে চেনা ‘ভাক্কা পিঠে’ নামে! স্পেশ্যাল ক্ষীর আর গুড়ের স্বাদে বাজিমাত, সন্ধে নামতেই ভিড়।

বাংলার ঘরে ঘরে পরিচিত ভাপা পিঠে (Bhapa Pithe) মালদহ জেলায় এক বিশেষ নামে জনপ্রিয়—এটি পরিচিত ‘ভাক্কা পিঠে’ (Vhakka Pithe) নামে। শীতের মরশুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শহরের অলিগলিতে ভাক্কা পিঠে বিক্রেতারা দোকান সাজিয়ে বসতে শুরু করেছেন, যা খাদ্য রসিকদের কাছে শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে আসে।

বিশেষ ক্ষীর ও গুড়ের মিশ্রণ
মালদহের এই ভাক্কা পিঠে সাধারণ ভাপা পিঠের চেয়ে কিছুটা আলাদা। এটি চাল ও নারকেল গুঁড়োর সঙ্গে বিশেষ ক্ষীর, খেজুরের গুড় (Khejur Gur) এবং কাজু (Cashew) দিয়ে তৈরি করা হয়। জলের বাষ্পে সেদ্ধ করা গরমাগরম এই পিঠে তার অতুলনীয় স্বাদের জন্য বিখ্যাত।

পিঠে বিক্রেতা ইন্দ্রজিৎ রায় জানান, তিনি প্রতি বছর এই সময়টায় দোকান করেন এবং তাঁর বিশেষ ক্ষীরের ভাক্কা পিঠের ব্যাপক চাহিদা থাকে। তিনি নিশ্চিত করেন, “মালদহ জেলায় ভাক্কা পিঠে নামে পরিচিত এই ভাবা পিঠে।”

সন্ধে নামলেই ভিড়, দাম মাত্র ২০ টাকা
ফাস্টফুডের দোকানে সারা বছর অন্যান্য খাবারের চাহিদা থাকলেও শীতের এই তিন মাস ভাক্কা পিঠের চাহিদা তুঙ্গে থাকে। এর দামও খুব বেশি নয়—মাত্র ২০ টাকায় পাওয়া যায় মালদহের এই বিশেষ ভাক্কা পিঠে। সন্ধে নামলেই দোকানের সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন খাদ্য রসিকরা।

এক খাদ্য রসিক সানি চৌহান বলেন, “ক্ষীর, খেজুরের গুড়, কাজু, কিসমিস-সহ একাধিক রকম সামগ্রী দিয়ে তৈরি এই ভাক্কা পিঠে খেতে বেশ সুস্বাদু লাগে। শীতের মরশুমে প্রায়ই এটি খেতে আসি‌।” বিক্রেতা ইন্দ্রজিৎ রায় জানান, শীতের মরশুমে প্রায় তিন মাস ধরে ভাক্কা পিঠের ব্যাপক বিক্রি হয়।