১০ জনের মৃত্যু! লালকেল্লা বিস্ফোরণকে কেন ‘জঙ্গি হামলা’ বলতে নারাজ আমেরিকা? মার্কো রুবিওর মন্তব্যে চাঞ্চল্য

রাজধানী দিল্লির লালকেল্লার কাছে মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় গত ১০ নভেম্বর সন্ধ্যায় এক তীব্র বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে অন্তত ১০ জন প্রাণ হারান এবং গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৪ জন। এই ঘটনার এনআইএ তদন্ত শুরু হওয়ার পর এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও।

জানা গেছে, বর্তমানে কানাডায় জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে তিনি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বুধবার বৈঠকের ফাঁকেই তিনি জয়শঙ্করের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন। যদিও বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য তিনি প্রকাশ করেননি, তবে দিল্লির ঘটনা নিয়ে মার্কিন উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মার্কো রুবিও বলেন, ”দিল্লির লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় আমেরিকা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তদন্তে কোনওরকম সহায়তার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সবসময় প্রস্তুত। কিন্তু আমার মনে হয়, দিল্লির তা প্রয়োজন নেই। এই ঘটনার তদন্তের কিনারা করতে ভারত একাই যথেষ্ট।”

মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ভারত সরকারের তরফে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এদিকে দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় আমেরিকার প্রতিক্রিয়া নিয়ে বিস্মিত রাজনৈতিক মহল। কারণ, ট্রাম্প প্রশাসন এই ঘটনাকে জঙ্গি হামলা বলতে নারাজ। বিস্ফোরণের পর একটি বিবৃতিতে আমেরিকার নতুন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর তাঁর ‘X’ (আগের ট্যুইটার) হ্যান্ডলে লেখেন, ‘নয়াদিল্লির বিস্ফোরণে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।’ কিন্তু তাঁর এই সংক্ষিপ্ত বার্তায় ‘সন্ত্রাসবাদ’ (Terrorism)-এর কোনও উল্লেখ ছিল না। একইসঙ্গে বিদেশ দফতর দিল্লিতে থাকা আমেরিকানদের জন্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি অ্যাডভাইজারি জারি করে।