লাল কেল্লার বিস্ফোরণ, বরখাস্ত জঙ্গি-যোগের অধ্যাপককে নিয়োগ! বিতর্কের আগুনে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়

লাল কেল্লার কাছে বিস্ফোরণকাণ্ডে (Delhi Blast) ধৃত অভিযুক্তদের নিয়ে যতই দায় ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করুক ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় (Al-Falah University), বিতর্ক কিন্তু কিছুতেই থামছে না। এবার জম্মু কাশ্মীর লেফটেন্যান্ট গভর্নরের হাতে বরখাস্ত হওয়া এক অধ্যাপককে নিয়োগ করা নিয়ে ফের বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে ফরিদাবাদের এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টি।

জানা গিয়েছে, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডঃ নিসার উল হাসানকে জম্মু কাশ্মীর প্রশাসন বরখাস্ত করেছিল। শ্রীনগরের শ্রী মহারাজ হরি সিং হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক থাকাকালীন জঙ্গিদের সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগে ২০২৩ সালের ২১ নভেম্বর জম্মু কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা (Manoj Sinha) তাঁকে বরখাস্ত করেন। সেই বহিষ্কৃত অধ্যাপককেই নিয়োগ করে হরিয়ানার ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়।

ডঃ হাসানের খোঁজ মিলছে না

উল্লেখ্য, লাল কেল্লা বিস্ফোরণের ঘটনায় ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক শাহিন সাহিদ ও মুজাম্মিল শাকিলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই প্রেক্ষিতেই ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডঃ ভুপিন্দর কৌর আহমেদ বুধবার এক বিবৃতিতে জানান, “অভিযুক্তদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আর কোনও সম্পর্ক নেই।” কিন্তু ঘটনার পর থেকেই এই বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা ডঃ নিসার উল হাসানের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, বলে খবর।

ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দুতে চিকিৎসকরা

সোমবার দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে তদন্তে একাধিক চিকিৎসকের নাম উঠে এসেছে। তদন্তকারীদের ধারণা, এরা ‘হোয়াইট কলার জঙ্গি নেটওয়ার্কের’ অংশ। সূত্রের খবর, জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামা, শোপিয়ান এবং অনন্তনাগ জেলার বেশ কয়েকজন ডাক্তার এই মডিউলের সঙ্গে যুক্ত। তারা ফরিদাবাদের কাছে গ্রামীণ এলাকা ধৌজ এবং ফতেহপুর তাগায় ঘাঁটি গেড়েছিল, যেখানে বিস্ফোরক মজুদ করা হয়েছিল। বহিষ্কৃত অধ্যাপককে নিয়োগ ও ধৃত চিকিৎসকদের উপস্থিতি— এই সমস্ত তথ্যই এখন আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়কে এক গভীর বিতর্কের মুখে এনে দাঁড় করিয়েছে।