Weather: দার্জিলিঙে ১০-পুরুলিয়ায় ১৬ ডিগ্রি, বাংলায় জাঁকিয়ে শীত পড়বে কবে থেকে?

ক্রমেই জাঁকিয়ে শীত পড়ার বার্তা দিচ্ছে রাজ্যের আবহাওয়া। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে এবং সমতলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঠেকেছে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গেও রাত এবং সকালে শীতের আমেজ স্পষ্ট। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ২০ ডিগ্রির নীচে। পুরুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যদিও কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলে এখনও শীত পুরোপুরি জাঁকিয়ে বসেনি।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহ রাজ্যের কোথাও কোনো বড় সতর্কবার্তা জারি করা হয়নি। প্রধানত শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। তবে শুক্রবার পর্যন্ত তাপমাত্রার বড় কোনো হেরফের না হলেও, শনিবার থেকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে

হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। এর ফলে শীতের আমেজ আরও বাড়বে। কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলে আগামী কয়েকদিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস-এর কাছাকাছি থাকতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া দপ্তর (IMD) আগেই জানিয়েছিল, এ বছর ভারতে স্বাভাবিকের তুলনায় শীত পড়ার সম্ভাবনা প্রায় ৭১%, যা শুধু ‘লা নিনা’র কারণেই নয়, আর্কটিক অঞ্চলের ঠান্ডা বাতাসের প্রবাহ এবং পশ্চিমী ঝঞ্ঝার পরিবর্তনের মতো অন্যান্য কারণের জন্যও হবে।

মার্কিন সরকারের ক্লাইমেট প্রেডিকশন সেন্টার জানিয়েছিল, অক্টোবর–ডিসেম্বর সময়কালে লা নিনা হওয়ার সম্ভাবনা ৭১%। যদিও ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই সম্ভাবনা কিছুটা কমে ৫৪%-এ নেমে আসবে। প্রাথমিকভাবে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, প্রায় ৭০% সম্ভাবনা রয়েছে যে এ বছর শীতের তীব্রতা কিছুটা বেশি হতে পারে। গাঙ্গেয় সমভূমিতে স্বাভাবিক সময়েই শীত প্রবেশ করবে, তবে হিমালয় অঞ্চলে, বিশেষ করে জম্মু ও কাশ্মীরে শীত ইতিমধ্যেই তার উপস্থিতি জানান দিতে শুরু করেছে।