গেমচেঞ্জার ‘ব্রহ্মোস’! ৪ দিনের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে মোড় ঘুরিয়ে দিল ভারতের ৩টি ক্ষেপণাস্ত্র? CIA-এর গোপন রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর দাবি

সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে আমেরিকার সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (CIA)-এর একটি গোপন রিপোর্ট। সেই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধের তৃতীয় রাতে ভারতীয় সামরিক বাহিনী পাঞ্জাব প্রদেশের কিরানা হিলস অঞ্চলে পাকিস্তানের গোপন পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডারের প্রবেশদ্বারে তিনটি ‘ব্রহ্মোস’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সরাসরি আঘাত হানে।
অপারেশন ‘বজ্রপাতে’ এবং লক্ষ্যের নির্ভুলতা
সিআইএ-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে এই পাহাড়ি অঞ্চলে মাটির নিচে গোপনে সংরক্ষিত ছিল পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রভান্ডার। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা RAW এবং প্রতিরক্ষা বাহিনী যৌথভাবে এই গোপন ঘাঁটির অবস্থান নির্ধারণ করেছিল।
হামলার ধরন: যুদ্ধের তৃতীয় দিন রাতে ভারতীয় বিমানবাহিনী এবং সেনার সমন্বয়ে চালানো হয় ‘অপারেশন বজ্রপাতে’।
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত: পরপর নিক্ষেপ করা তিনটি ব্রহ্মোস মিসাইলের মধ্যে দুটি সরাসরি লক্ষ্যবস্তু ভেদ করে বিস্ফোরিত হয়। অন্যটি আংশিকভাবে পাহাড়ের ভেতরে লুকানো বাঙ্কার ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
ফলাফল: এই আঘাতের পর পাকিস্তানের পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পাকিস্তানি সেনা ও গোয়েন্দা শীর্ষকর্তারা আতঙ্কিত হয়ে জরুরি বৈঠক ডাকেন। এর ফলস্বরূপ, চতুর্থ দিনের মধ্যেই পাকিস্তান জাতিসংঘের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির আবেদন জানায়।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা এটিকে ভারতীয় সামরিক ইতিহাসের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন।
ব্রহ্মোসের প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব
ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র, যা যৌথভাবে ভারত ও রাশিয়া তৈরি করেছে, বিশ্বের অন্যতম দ্রুততম সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল। এটি মাটি, আকাশ ও সমুদ্র—তিন মাধ্যম থেকেই উৎক্ষেপণ করা যায়। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, কিরানা হিলসের মতো পাহাড়ি ভূখণ্ডে থাকা শক্তিশালী বাঙ্কার ধ্বংস করার জন্য এটি ছিল নিখুঁত অস্ত্র।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, “ভারত কারও ভূখণ্ডে আগ্রাসন চায় না। কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে আমরা এক ইঞ্চিও পিছিয়ে যাব না।” অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা দফতর এই রিপোর্টকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর’ বলে দাবি করেছে।
তবে সিআইএ-এর রিপোর্টে সংযুক্ত স্যাটেলাইট ছবি ও থার্মাল ইমেজিং ডেটা কিরানা হিলস অঞ্চলে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর বড়সড় ধ্বংসযজ্ঞের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই ঘটনা দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্যে ভারতের ‘প্রিসিশন স্ট্রাইক ক্যাপাবিলিটি’ এবং স্পষ্ট প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার বার্তা দিচ্ছে।