রিলস-আসক্তি এবার নিয়ন্ত্রণে! YouTube নিয়ে এল ‘টাইমার’ ফিচার, সারাদিন স্ক্রল করা বন্ধ!

আর নয় রাত জাগা, কাজের ক্ষতি নয়! ইউটিউব শর্টস (YouTube Shorts) এখন কোটি কোটি মানুষের নিত্যসঙ্গী হলেও, এর আসক্তি প্রায়শই ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষতি করে। কখন দিন গড়িয়ে রাত হচ্ছে, তা টেরই পাওয়া যায় না। এবার সেই ‘স্ক্রল করার নেশা’ কমাতে নতুন এবং কার্যকরী একটি ফিচার নিয়ে এলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব।

‘ডিজিটাল সুস্থতা’ (Digital Wellbeing) নিশ্চিত করতে প্ল্যাটফর্মটি চালু করেছে ‘ইউটিউব শর্টস টাইমার’ ফিচার। এই টুলটি ব্যবহারকারীদের হাতেই তাদের সময় নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা তুলে দিচ্ছে।

শর্টস টাইমার কীভাবে কাজ করবে? এই নতুন ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা দিনে ঠিক কতটা সময় ধরে শর্টস দেখতে চান, তার একটি সময়সীমা নির্ধারণ করতে পারবেন। ধরা যাক, আপনি ১৫ মিনিট, ৩০ মিনিট অথবা ১ ঘণ্টা সময়সীমা সেট করলেন।

একবার সেই নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়ে গেলে, ইউটিউব ফিড স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত (Pause) হয়ে যাবে।

স্ক্রিনে একটি পপ-আপ বিজ্ঞপ্তি প্রদর্শিত হবে, যা ব্যবহারকারীকে জানিয়ে দেবে যে, দিনের জন্য শর্টস দেখার সময় শেষ।

তবে এটি বাধ্যবাধকতা তৈরি করে না; ব্যবহারকারী চাইলে এই অ্যালার্টটি বাতিল (Dismiss) করে পুনরায় দেখা চালিয়ে যেতে পারেন। এর মূল উদ্দেশ্য হলো স্ক্রিন টাইম সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো।

এখনও পেরেন্টস কন্ট্রোলের সাথে যুক্ত নয়: বর্তমানে এই ফিচারটি শুধুমাত্র ইউটিউব মোবাইল অ্যাপে চালু হচ্ছে এবং এটি ব্যবহারকারী-নির্দিষ্ট। আপাতত এটি অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণের (Parental Control) সঙ্গে লিঙ্ক করা নেই। তবে ইউটিউব জানিয়েছে, খুব শিগগিরি এই ফিচারটি পারিবারিক অ্যাকাউন্টগুলোর জন্যও উপলব্ধ করা হবে, যেখানে বাবা-মায়েরা শিশুদের জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করতে পারবেন এবং শিশুদের জন্য এই সতর্কতা আর বাতিল করার যোগ্য থাকবে না। এই ফিচারের মাধ্যমে শিশুরাও শর্টস আসক্তি থেকে মুক্তি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। দ্রুতই বিশ্বব্যাপী সব ব্যবহারকারীর কাছে এই সুবিধা পৌঁছে যাবে।