চার্জার নয়, পাওয়ার ব্যাংকই বিপদ! Air China-র পর IndiGo-তেও একই ঘটনা, বিমানযাত্রায় ইলেকট্রনিক্স নিয়ে সতর্কতা কেন?

দিল্লি বিমানবন্দরে (Delhi Airport) ট্যাক্সি করার সময় ডিমাপুরগামী IndiGo-র একটি ফ্লাইটে এক যাত্রীর পাওয়ার ব্যাংক থেকে আগুন লাগার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। রবিবার এই ঘটনা ঘটলেও, কেবিন ক্রুদের দ্রুত তৎপরতায় আগুন দ্রুত নিভিয়ে ফেলা সম্ভব হয় এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
বিমান সংস্থা IndiGo এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দিল্লি থেকে নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরগামী ফ্লাইট 6E 2107-এ “এক যাত্রীর সিট-ব্যাক পকেটে রাখা ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম থেকে সামান্য আগুন লাগার কারণে বিমানটি ফের বে-তে ফিরে আসে।”
সূত্র মারফত জানা গেছে, বিমানটি যখন উড্ডয়নের জন্য ট্যাক্সি করছিল, ঠিক তখনই আগুন লাগে।
কেবিন ক্রুদের তৎপরতা
IndiGo জানিয়েছে, কেবিন ক্রুরা সঙ্গে সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (SOP) অনুসরণ করে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং “মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ঘটনাটি সামাল দেওয়া হয়।”
যদিও ফ্লাইটটি প্রথমে দুপুর ১২:২৫-এ ছাড়ার কথা ছিল, কিন্তু এই ঘটনার কারণে ২:৩৩ মিনিটে যাত্রা শুরু করে এবং ৪:৪৫ মিনিটে ডিমাপুরে পৌঁছায়। IndiGo জানায়, নিরাপত্তা প্রোটোকল মেনে কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে জানানো হয়। প্রয়োজনীয় পরিদর্শনের পর বিমানটিকে ওড়ার জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
বিমান সংস্থাটি যাত্রীদের শান্ত এবং সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে এবং যাত্রীদের অসুবিধা কমানোর জন্য সবরকম প্রচেষ্টা করেছে বলে উল্লেখ করেছে।
ফের আলোচনায় লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির নিরাপত্তা
এই ঘটনার মাত্র এক সপ্তাহ আগেই একই ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছিল যখন হ্যাংঝাউ থেকে সিউলগামী Air China-র একটি ফ্লাইটে ওভারহেড কম্পার্টমেন্টে রাখা লিথিয়াম ব্যাটারিতে আগুন লেগে যায়।
IndiGo-র এই ঘটনাটি আবারও বিমানে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি এবং পোর্টেবল ইলেকট্রনিক ডিভাইসের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশ্বের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বারবার যাত্রীদের হ্যান্ড-ব্যাগেজে পাওয়ার ব্যাংক এবং অতিরিক্ত ব্যাটারি রাখার এবং ফ্লাইট চলাকালীন সেগুলিতে চার্জ না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।