দুর্গাপুর ধর্ষণ কাণ্ডে নয়া মোড়, নির্যাতিতার সহপাঠীর হোস্টেলের ঘর থেকে উদ্ধার ১১টি কন্ডোম, বাড়ছে রহস্য

দুর্গাপুর গণধর্ষণ কাণ্ডে রহস্য ক্রমশই বাড়ছে। এই মামলার মূল সন্দেহের কেন্দ্রে রয়েছে নির্যাতিতার সহপাঠী। তদন্তকারীদের একাংশের মতে, সহপাঠীর বয়ানে অসঙ্গতি এবং ঘটনার দিন রাতে তার সন্দেহজনক আচরণ এই রহস্যকে আরও ঘনীভূত করছে।
হোস্টেলে তল্লাশি, উদ্ধার কন্ডোম:
বৃহস্পতিবার নির্যাতিতার সহপাঠীকে নিয়ে পুলিশ প্রথমে ঘটনাস্থল অর্থাৎ জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে একদফা জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরপরই ধৃতকে নিয়ে তার হোস্টেলে তল্লাশি চালায় তদন্তকারীরা।
তদন্তকারী সূত্রের খবর, সহপাঠীর ঘরে তল্লাশি চালিয়ে ১১টি কন্ডোম উদ্ধার হয়েছে। অন্যদিকে, ক্রাইম সিন অর্থাৎ জঙ্গল থেকেও উদ্ধার হয়েছে একটি কন্ডোম, তবে সেটি অব্যবহৃত ছিল বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধার হওয়া কন্ডোম সহ সমস্ত সামগ্রীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
পরিবারের দাবি ও রাজনৈতিক যোগ:
প্রথম থেকেই নির্যাতিতার বাবা সহপাঠীকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। ধৃত সহপাঠী মালদার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, ধৃতের বাবা একজন কংগ্রেস নেতা ও পঞ্চায়েত সদস্য।
এদিন সকালেও সহপাঠীকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে জেরা করা হয়েছিল। এই নিয়ে দুর্গাপুর গণধর্ষণ কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ মনে করছে, উদ্ধার হওয়া কন্ডোমগুলির ফরেন্সিক পরীক্ষার রিপোর্ট এই মামলার রহস্যভেদ করতে সহায়ক হবে।