আবহাওয়া-সীমানা নজরদারি থেকে কৃষি! ভারতীয় স্টার্টআপের ১৫০০ কেজি স্যাটেলাইট বদলে দেবে ভূ-স্থানিক ডেটা: দেখুন কী কী সুবিধা?

বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক স্পেসটেক স্টার্টআপ GalaxEye ঘোষণা করেছে যে তারা ২০২৬ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে তাদের প্রথম ‘মিশন দৃষ্টি’ উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে। এটি হবে বিশ্বের প্রথম মাল্টি-সেন্সর আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট। ১৬০ কিলোগ্রাম ওজনের এই ‘মিশন দৃষ্টি’ ভারতের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি এবং দেশে-বিকশিত হাই-রেজোলিউশন স্যাটেলাইট হতে চলেছে।
এই লঞ্চটি GalaxEye-এর স্যাটেলাইট কনস্টেলেশন প্রোগ্রামের সূচনা করবে। এই পরিকল্পনায় ২০২৯ সালের মধ্যে ৮ থেকে ১২টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করার লক্ষ্য রয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হল বিশ্বব্যাপী অ্যাপ্লিকেশনের জন্য রিয়েল টাইমে নির্ভুল আর্থ অবজারভেশন ডেটা সরবরাহ করা।
GalaxEye-এর কো-ফাউন্ডার এবং সিইও সুয়াশ সিং বলেন, “মিশন দৃষ্টি-র মাধ্যমে আমরা মহাকাশ অনুসন্ধানের মাধ্যমে কর্মোপযোগী ডেটার একটি নতুন যুগের সূচনা করছি। বিশ্বে এই প্রথম, আমরা এমন একটি স্যাটেলাইট স্থাপন করছি যা একটি প্ল্যাটফর্মে একাধিক সেন্সিং টেকনোলজিকে একত্রিত করে, যা আগে অসম্ভব ছিল এমন উপায়ে পৃথিবীকে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ দেবে।” তিনি আরও যোগ করেন যে এই মিশনটি ভারতকে গ্লোবাল স্পেস ম্যাপে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করবে এবং একটি এমন সিস্টেম তৈরি করবে যা মহাকাশ প্রযুক্তিকে বুদ্ধিমত্তায় রূপান্তরিত করবে যার উপর ব্যবসা এবং সরকার নির্ভর করতে পারবে।
GalaxEye বিশ্বের প্রথম মাল্টি-সেন্সর আর্থ অবজারভেশন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, যা একই স্যাটেলাইটে সিনথেটিক অ্যাপারচার রাডার (SAR) এবং হাই-রেজোলিউশন অপটিক্যাল পেলোড বহন করে। এর ফলে দিনের যেকোনো সময়, যেকোনো আবহাওয়ায় আর্থ অবজারভেশন ডেটা উপলব্ধ হবে। এই স্যাটেলাইটটি সরকার, প্রতিরক্ষা সংস্থা এবং শিল্পগুলিকে সীমান্ত নজরদারি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, প্রতিরক্ষা, অবকাঠামো পর্যবেক্ষণ, কৃষির পাশাপাশি আর্থিক ও বীমা মূল্যায়নের মতো উন্নত ভূ-স্থানিক (জিওস্পেশিয়াল) বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করবে।