IRCTC-দুর্নীতি মামলায় লালু-রাবড়ি-তেজস্বীর বিরুদ্ধে চার্জগঠন, ভোটের আগে বিহারে শোরগোল

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আর এক মাসও বাকি নেই, ঠিক তার আগেই বড়সড় আইনি বেকায়দায় পড়লেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব ও তাঁর পরিবার। IRCTC দুর্নীতি মামলায় লালুপ্রসাদ, তাঁর স্ত্রী রাবড়ি দেবী এবং ছেলে তথা আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠনের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। সোমবার স্পেশাল জজ বিশাল গগন এই নির্দেশ দেন।
এই মামলায় লালু পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং প্রতারণার মতো গুরুতর ধারা যুক্ত হয়েছে। সিবিআই আদালতে জানিয়েছে, প্রাক্তন রেলমন্ত্রী লালু, রাবড়ি ও তেজস্বীর বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধ সংগঠিত করার পাশাপাশি ষড়যন্ত্র ও প্রতারণার পক্ষে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ মিলেছে।
সোমবার হুইল চেয়ারে বসে আদালতে পৌঁছন লালুপ্রসাদ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রাবড়ি ও ছেলে তেজস্বী। সূত্রের খবর, বিচার প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দেওয়ার আগে আদালত তাঁদের কাছে জানতে চায়, তাঁরা অপরাধ স্বীকার করছেন কি না। প্রত্যেকেই এক বাক্যে তা অস্বীকার করেন এবং বিচার প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত বলে জানান। রাবড়ি দেবী স্পষ্ট জানান, তাঁদের বিরুদ্ধে আনা এই মামলা একেবারেই ভিত্তিহীন।
ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে?
অভিযোগ, ২০০৪ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত লালুপ্রসাদ রেলমন্ত্রী থাকাকালীন রাঁচি ও পুরীর আইআরসিটিসির দুটি হোটেল সুজাতা হোটেলস প্রাইভেট লিমিটেড নামক সংস্থাকে সাব-লিজ় দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করেছিলেন। এই ঘটনায় রাবড়ি দেবীর নামে থাকা একটি সংস্থারও নাম জড়িয়ে যায়। সিবিআই দাবি করেছে, এই ঘটনার সঙ্গে লালুপ্রসাদ ও তাঁর পরিবারের যোগসূত্রের যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ তাদের হাতে এসেছে। যদিও যাদব পরিবার প্রথম থেকেই এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বলে দাবি করে আসছে।