“মাথার দাম ২৫ হাজার টাকা”-একাধিক নাবালিকা ধর্ষণে অভিযুক্তর এনকাউন্টারে মৃত্যু

নাবালিকা ধর্ষণের অপরাধে পাঁচ বছর জেল খাটার পরও, মুক্তি পেয়ে ফের সাত বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল কুখ্যাত দুষ্কৃতী শেহজ়াদ ওরফে নিক্কির বিরুদ্ধে। মীরাটের সারুর পুলিশ স্টেশন এলাকায় সোমবার ভোরে পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে সেই ‘সিরিয়াল রেপার’ শেহজ়াদ এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শেহজ়াদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি যে সাত বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল, তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। সে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ আরও জানিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে পিস্তল নিয়ে শেহজ়াদ মীরাটে ওই নাবালিকার বাড়িতে গিয়ে শূন্যে গুলি চালিয়ে হুমকিও দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শেহজ়াদকে ধাওয়া করে। বাইকে চেপে পালানোর সময় অভিযুক্ত শেহজ়াদ পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, পুলিশ বারবার তাকে থামতে বললেও সে শোনেনি। পরে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে শেহজ়াদের বুকে গুলি লাগে। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
মীরাটের এসএসপি বিপিন তাদা নিশ্চিত করেছেন, “সোমবার সকালে সরুরপুর পুলিশ সীমানায় একটি এনকাউন্টার ঘটেছে। শেহজ়াদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, লুটপাট এবং খুনের চেষ্টা-সহ সাতটি মামলা ছিল। এক নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে সে এর আগে পাঁচ বছর জেলও খাটে। কিন্তু মুক্তি পাওয়ার পর, ফের সে সাত বছরের একটি মেয়ের উপর যৌন নিগ্রহ চালায়। মেয়েটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। শেহজ়াদকে গ্রেপ্তারের জন্য ২৫,০০০ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।”
এনকাউন্টারের সময় কোনো পুলিশ কর্মী আহত হননি। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল এবং বেশ কয়েকটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। শেহজ়াদের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণে অভিযুক্তের এভাবে এনকাউন্টার হওয়ায় যোগীরাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল তৈরি হয়েছে।