রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার চেষ্টা: MP-তে হাওয়ালার টাকা লুঠের অভিযোগে সাসপেন্ড ৯ পুলিশ, SDOP-এর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা!

একটি চার চাকার গাড়ি থেকে মহারাষ্ট্রে পাঠানো প্রায় ১.৪৫ কোটি টাকা হাওয়ালা অর্থ লুঠের অভিযোগে মধ্যপ্রদেশের সিওনি জেলার ৯ জন পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শুক্রবার এক কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।
চালক এবং টাকা প্রেরণকারী ব্যবসায়ী পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরই এই গুরুতর অপরাধ প্রকাশ্যে আসে। এরপরই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন ইনস্পেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (জব্বলপুর) প্রমোদ বর্মা।
সিওনি পুলিশ সুপার (এসপি) সুনীল কুমার মেহতা জানিয়েছেন, বুধবার রাতে নিয়মিত চেকিংয়ের সময় বান্দোল থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার এবং এসডিওপি (মহকুমা পুলিশ আধিকারিক) অফিসের কর্মীরা সিলাদেহি জঙ্গলে একটি গাড়ি আটকান।
পুলিশ কর্তারা বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ দেখতে পান, যা মধ্যপ্রদেশের কাটনি থেকে মহারাষ্ট্রের জালনাতে পাঠানো হচ্ছিল। অভিযোগ, গাড়িটি বাজেয়াপ্ত না করে পুলিশকর্মীরা উল্টে চালকের সঙ্গে মারধর করে তাকে তাড়িয়ে দেন এবং টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেন। এই হাওয়ালার টাকার বিষয়ে তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাননি বলেও অভিযোগ।
পরের দিন সকালে (বৃহস্পতিবার) টাকা খোয়ানো ব্যবসায়ী কোতোয়ালি থানায় পৌঁছনোর পরই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ, ওই গাড়িতে ২.৯৬ কোটি টাকারও বেশি ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে গাড়ির আসল টাকার পরিমাণ তদন্তের পরই জানা যাবে।
এই গুরুতর অভিযোগ যখন জব্বলপুর এবং ভোপালে উচ্চ আধিকারিকদের কাছে পৌঁছয়, তখন ৯ জন পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়। আইজি প্রমোদ বর্মা তিন দিনের মধ্যে ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছেন।
নিলম্বিত পুলিশকর্মীদের মধ্যে বান্দোল থানার সাব-ইনস্পেক্টর অর্পিত ভৈরম, প্রধান আরক্ষক মাখন ও রবীন্দ্র উইকে-সহ মোট ৯ জন রয়েছেন। এছাড়াও, সিওনি এসডিওপি অফিসে নিযুক্ত সিটি পুলিশ সুপার পূজা পান্ডের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ সদর দফতরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।