তাইয়ানকে মূল ভূখণ্ডে আনতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে চীন

স্ব-শাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে পুনর্মিলনের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে বেজিং। গত সপ্তাহে দ্বীপ ভূখণ্ডটির আশপাশে বিশাল সামরিক মহড়া চালানোর এ পর্যায়ে এসে এ কথা জানালো চীন।
তাইওয়ানকে নিজেদের একটি এলাকা হিসেবে দাবি করে চীন। যদিও দ্বীপ ভূখণ্ডটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। সেই সরকার চীনের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে। সরকারের দাবি, দ্বীপের ২৩ মিলিয়ন মানুষ তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

কয়েক বছর ধরে তাইওয়ানকে ঘিরে বেশ আক্রমণাত্বক অবস্থান বাড়াচ্ছে বেজিং। গত মাসে মার্কিন হাউস অব কমন্সের রিপ্রেজেন্টেটিভের তাইওয়ান সফর ঘিরে দ্বীপের ওপর কামান ছুড়ে সমুদ্র ও আকাশ পথে সামরিক মহড়া চালাতে শুরু করা হয়েছিল। পেলোসি চীনের দফায় দফায় কঠোর হুমকি উপেক্ষা করেই তাইপে সফর করেন। পেলোসির এ আগমন ২৫ বছর পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এমন বড় কোনো নেতা তাইওয়ান সফর করলেন।

এক সংবাদ সম্মেলনে প্রণালীতে বিভক্ত সম্পর্কের যাচাইয়ের পর চীনের তাইওয়ান বিষক সম্পর্কিত অফিসের মুখপাত্র মা জিয়াওগুয়াং বলেন, চীনের সঙ্গে তাইওয়ানের শান্তিপূর্ণভাবে পুনর্মিলন অর্জনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে ঐ অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য চীন সবসময় অটুটও রয়েছে।

১৮০ কিলোমিটারের প্রণালী তাইওয়ান দ্বীপকে চীনের ভূখণ্ড থেকে আলাদা করেছে। সেখানে দিন দিন নিজেদের অধিকার হিসেবে জোর দিচ্ছে বেজিং। তাইওয়ান সমুদ্রসীমায় অবৈধভাবে যুদ্ধজাহাজ চালাচ্ছে।

এদিকে, বেজিংয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও তাইওয়ানকে অস্ত্রশস্ত্র ও সহায়তার আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান প্রণালীতে চীনের গমন স্বাধীনতার ব্যাপারে সরেও এসেছে।