লং ডিসট্যান্স রিলেশনশিপ ? এই কয়েকটা কাজেই বজায় রাখা যায় ভালোবাসার গভীরতা

১০০ জনের মধ্যে ৯৯ জন মানুষ বিশ্বাস করেন যে লং ডিসট্যান্স সম্পর্কের কোনও ভবিষ্যৎ নেই। এটা একদিন না একদিন ভাঙবেই। কিন্তু এই ধারণা একদম ভিত্তিহীন। মনের মানুষ সারাক্ষণ চোখের সামনে ঘুরঘুর করলেই যে প্রেম খুব গভীর হবে, তা কিন্তু নয়। দূরে থেকেও অন্যদের মতোই সম্পর্ক ভালো ভাবেই বজায় রাখা সম্ভব। শুধু কয়েকটা কথা মাথায় রাখলেই হল।

যদি এমন কারও সঙ্গে আপনার সম্পর্ক থাকে যিনি এই শহরে বা এই দেশে থাকেন না, তা হলে প্রথম থেকেই এই বিষয়ে মানসিক ভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। বিশেষ করে চোখের সামনে অন্য বন্ধুদের প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে ঘুরতে দেখলে মনে কাঁটা বিঁধবেই। আত্মীয়স্বজন আর বন্ধুরাও ক্রমাগত কানের কাছে নেগেটিভ কথা বলবে। কিন্তু মনে রাখতে হবে আজকের আধুনিক দুনিয়ায় দূরত্ব কোনও ব্যাপার নেই। শুধু মনের মিল থাকলেই হল।

কফি শপে সপ্তাহান্তে দেখা করতে না পারলেও ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখাই যায়। টেক্সট মেসেজ আর WhatsApp করেও দিব্যি কথা বলা যায়।

তবে ভার্চুয়ালি যোগাযোগ রাখার ক্ষেত্রেও একটা সীমা মেনে চলতে হবে। মেসেজ ঠিক সময়ে চেোখে না পড়তে পারে বা ভিডিও কল অপর পক্ষ সেই মুহূর্তে না-ও ধরতে পারেন। তখন খামোখা দুশ্চিন্তা করা সম্পর্কে সমস্যা তৈরি করতে পারে। শুধু প্রেম নিয়েই জীবন তৈরি হয় না। বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে সময় কাটানো, আত্মীয়দের সঙ্গে আড্ডা দেওয়াটাও দরকার। সর্বক্ষণ মেসেজ করা বা কল করে তাই সঙ্গীকে বিব্রত না করাই ভালো!

একসঙ্গে সময় কাটানো মানে সব সময় WhatsApp বা ভিডিও কল করা নয়। একসঙ্গে বই পড়া, এক্সারসাইজ করা বা সিনেমাও দেখা যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় পার্টনারের উপর নজরদারি না করে এই প্ল্যাটফর্মকে অন্য ভাবে কাজে লাগানো যায়। ভার্চুয়াল ডেট করা যায়। নিজেদের হবির ছবি ও ভিডিও শেয়ার করা যায়।

যদি সম্ভব হয় মাসে একবার বা অন্তত ছয় মাসে একবার দেখা করার চেষ্টা করতে হবে। তবে মনে মনে প্রস্তুত থাকতে হবে যে এটা সব সময় সম্ভব না-ও হতে পারে। আর এটা দুই তরফ থেকেই হতে পারে। যদি এই লং ডিসট্যান্স সম্পর্ক নিয়ে আত্মবিশ্বাস থাকে, তা হলে কোনও সমস্যা নেই- নিশ্চিত করে বলা যায়!