‘কুকুর আসলে কার?’, পোষ্যকে নিয়ে আদালতে জয়-মহুয়ার টানাপোড়েন! বিচারক যা বললেন…

কে ‘হেনরি’ নামের পোষ্য কুকুরটির আসল অভিভাবক, তা নিয়ে গত দু’বছর ধরে চলা বিতর্কের কোনো সমাধান এখনও হয়নি। এই মামলার শুনানিতে এবার দিল্লি হাইকোর্ট প্রশ্ন তুলেছে, কেন আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদ্রাই এবং তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র একসঙ্গে বসে বিষয়টি মিটিয়ে নিচ্ছেন না। একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, আদালত তাদের নিজেদের মধ্যে বিবাদ মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
২০২৩ সালে ‘ক্যাশ ফর কোয়েশ্চেন’ বিতর্কে মহুয়া মৈত্র যখন নাজেহাল, তখনই তার একসময়ের বন্ধু জয় অনন্ত দেহদ্রাই অভিযোগ করেন যে মহুয়া তাদের পোষ্য রটওয়েলার ‘হেনরি’কে অপহরণ করেছেন। পাল্টা মহুয়াও একই অভিযোগ করেন জয়ের বিরুদ্ধে। মহুয়া দাবি করেছিলেন, ব্যক্তিগত সম্পর্কের অবনতির পর জয় তার বাড়ি থেকে হেনরিকে নিয়ে চলে গেছেন। অন্যদিকে জয়ের দাবি, হেনরিকে তিনিই কিনেছিলেন এবং মহুয়া হেনরির ছুতোয় তার বাড়িতে গিয়ে তাকে ভয় দেখাচ্ছেন। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও তুমুল আলোচনা শুরু হয়।
বুধবার দিল্লি হাইকোর্টে মামলার শুনানির সময় আদালত প্রশ্ন করে, “দুই পক্ষ কি একসঙ্গে বসে এই সমস্যার সমাধান করতে পারে না?” আদালতের এই মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, তারা চায় যে এই দুই পক্ষ নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাক। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, জয় অনন্ত দেহদ্রাই ট্রায়াল কোর্টের একটি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। ওই নির্দেশ অনুযায়ী, এই মামলা সম্পর্কে দুই পক্ষ প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে পারবে না। জয়ের আইনজীবীর মতে, এটি তার বাক্স্বাধীনতাকে খর্ব করছে। এখন দেখার বিষয়, আদালতের পরামর্শ মেনে জয় এবং মহুয়া কি নিজেদের মধ্যে এই বিতর্কের মীমাংসা করেন, নাকি আইনি লড়াই চালিয়ে যান।