মহুয়া মৈত্র বনাম জয় অনন্ত দেহদ্রাই, পোষ্য কুকুর ‘হেনরি’র অধিকার নিয়ে আদালতে ধমক খেলেন দুজনেই

তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র এবং আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদ্রাইয়ের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব এবার দিল্লি হাইকোর্টে নতুন মাত্রা পেয়েছে। তাদের প্রাক্তন সম্পর্কের তিক্ততা এবার এসে ঠেকেছে পোষ্য রট হুইলার কুকুর ‘হেনরি’র অধিকার নিয়ে। এই মামলার শুনানিতে আদালত কেন তারা একসঙ্গে বসে এই সমস্যার সমাধান করছেন না, তা নিয়ে দুই পক্ষকেই কঠোরভাবে তিরস্কার করেছে।
কুকুরকে নিয়ে যত গোলমাল
একসময় সম্পর্কে থাকা মহুয়া এবং জয় অনন্ত, তাদের বিচ্ছেদের পর নানা বিষয়ে সংঘাত জড়িয়ে পড়েন। এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তাদের পোষা কুকুর ‘হেনরি’। দুজনেই দাবি করছেন, কুকুরটির একমাত্র অধিকার তার। মহুয়া মৈত্র হেনরিকে তার বলে দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হন এবং এমনকি জয় অনন্তের বাড়িতে পুলিশও পাঠান। অন্যদিকে, জয় অনন্ত দেহদ্রাইয়ের দাবি, ৪০ দিন বয়স থেকে হেনরি তার সঙ্গেই রয়েছে এবং তিনিই কুকুরটিকে কিনেছিলেন।
আদালতের প্রশ্ন ও ধমক
আজ দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি জৈন দুই পক্ষকে প্রশ্ন করেন, “আপনারা কেন একসঙ্গে বসে সমাধান করে নিচ্ছেন না? আপনারা মামলায় কী চাইছেন?” মহুয়া মৈত্র যৌথ কাস্টডি চাইলেও, তার আবেদন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আদালত। একইসঙ্গে, জয় অনন্ত দেহদ্রাই ট্রায়াল কোর্টের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন যেখানে বলা হয়েছে যে, এই মামলার বিষয়ে তারা প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না। তার আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বলেছেন যে এই নির্দেশ বাক স্বাধীনতার পরিপন্থী।
মামলার ভবিষ্যত
জয় অনন্তের আইনজীবী আরও বলেন যে মহুয়া একজন সাংসদ বলে সাধারণ মামলাকারীর চেয়ে বেশি অধিকার দাবি করতে পারেন না। আদালত এই বিষয়ে মহুয়া মৈত্রের কাছে জবাব চেয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ডিসেম্বরে হবে।