সোনার হারের এত লোভ! সদ্য বিবাহিত তরুণীর গলায় ফাঁস দিয়ে খুনের অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে

ফের পণপ্রথার বলি হলেন এক গৃহবধূ। এবার বিহারের খাগাড়িয়া জেলায় এক সদ্য বিবাহিতাকে শ্বাসরোধ করে খুন করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এদিকে, উত্তরপ্রদেশের আমরোহা জেলায় পণের দাবিতে এক যুবতীকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়েছে, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন।
বিহারের খাগাড়িয়া জেলার বরখান্দি তোলা গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এক বছর আগে বিভীষণ যাদবের সঙ্গে ওই তরুণীর বিয়ে হয়েছিল। তরুণীর বাবা যাদো যাদব অভিযোগ করেছেন, বিয়ের পর থেকেই তাঁর মেয়েকে পণের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। বিশেষ করে, আরও সোনার গয়নার দাবি করা হচ্ছিল।
যাদো যাদব জানান, তিনি শ্বশুরবাড়িকে দুই মাস সময় চেয়েছিলেন, কিন্তু তারা অপেক্ষা করতে রাজি হয়নি। অভিযোগ, স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা মিলে তাঁর মেয়েকে প্রথমে মারধর করে এবং পরে গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করে ঝুলিয়ে দেয়। পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে। এই ঘটনার পর অভিযুক্তরা সবাই পলাতক। পুলিশ তাদের খোঁজে তদন্ত চালাচ্ছে।
অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশের আমরোহা জেলাতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। ৩২ বছর বয়সী পারুল নামের এক নার্সকে তাঁর স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা মিলে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছে। পারুলের স্বামী দেবেন্দ্র একজন পুলিশ কনস্টেবল।
পারুলের পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে পণের জন্য তাঁর উপর অত্যাচার করা হচ্ছিল। সম্প্রতি, দেবেন্দ্র ছুটিতে বাড়ি এলে এই ঘটনা ঘটে। মারাত্মক অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় পারুলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এই ঘটনায় পারুলের ভাই ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা এখনো পলাতক।
এই দুটি ঘটনাই আবারও প্রমাণ করে দেয় যে আধুনিক সমাজেও পণপ্রথা কীভাবে অসংখ্য মানুষের জীবন নষ্ট করে চলেছে।