চুরির পর পাপমুক্ত হতে কেদারনাথ দর্শন, নেতার বাড়ি তল্লাশি করতেই যা উদ্ধার হল….! জানলে চমকে যাবেন

পরিবারকে নিয়ে কেদারনাথ দর্শন করতে যাওয়ার আগেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ল এক টোটো চোর। অভিযুক্ত চন্দন সরকার, যার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানে, তাকে হাওড়া স্টেশন থেকে গ্রেফতার করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই চুরির সঙ্গে জড়িত এক স্থানীয় বিজেপি নেতারও সন্ধান মিলেছে।
বারুইপুর এলাকার কাছারি বাজার থেকে গত ১৫ আগস্ট একটি টোটো চুরি হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, চুরির মূল অভিযুক্ত চন্দন সরকার পরিবার নিয়ে হাওড়া স্টেশন থেকে কেদারনাথ যাচ্ছেন। এই খবর পেয়ে বারুইপুর থানার একটি বিশেষ দল ছদ্মবেশে হাওড়া স্টেশনে যায়। তাদের মধ্যে কেউ চা বিক্রেতা, কেউ ফেরিওয়ালা, আবার কেউ সাধারণ যাত্রী সেজে প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েন। দুপুর ১টা নাগাদ চন্দন স্টেশনে ঢুকতেই তাকে ধরে ফেলে পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় চন্দন জানায়, চুরি করা টোটো সে নদীয়ার দয়াতপুরের বাসিন্দা রামপদ মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির কাছে জমা দিত। এই রামপদ মণ্ডল স্থানীয় একজন বিজেপি নেতা বলে জানা গেছে। চন্দন জানায়, জেলে থাকার সময় রামপদর সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল। রামপদ চুরি করা টোটো ২৫ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করত। রামপদর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ সাতটি চোরাই টোটো উদ্ধার করেছে।
তবে, দয়াতপুরের বিজেপি নেতা জুয়েল মল্লিক দাবি করেছেন যে, অভিযুক্ত রামপদ মণ্ডলের সঙ্গে তাদের দলের অনেকদিন কোনো সম্পর্ক নেই। পুলিশ মনে করছে, বারুইপুর এলাকায় আরও কেউ এই চক্রের সঙ্গে জড়িত আছে, কারণ স্থানীয় কারও সাহায্য ছাড়া বর্ধমানের একজন পক্ষে এভাবে দিনের পর দিন চুরি করা সম্ভব নয়। বর্তমানে পুলিশ সেই তৃতীয় ব্যক্তির খোঁজ করছে।