নয়ডার পর এবার হায়দরাবাদ! গর্ভবতী স্ত্রী’কে নৃশংসভাবে খুন করে দেহ টুকরো টুকরো করল স্বামী

আবারও একটি নৃশংস খুনের ঘটনা সামনে এল, যা সারা দেশকে চমকে দিয়েছে। নয়ডার পর এবার হায়দরাবাদে এক ব্যক্তি তার গর্ভবতী স্ত্রীকে খুন করে দেহ টুকরো টুকরো করে ফেলেছে। শুধু তাই নয়, দেহের বিভিন্ন অংশ আলাদা করে নদীর পানিতে ফেলে দিয়েছে বলে অভিযোগ।

জানা গেছে, হায়দরাবাদের মেদিপল্লী এলাকার বাসিন্দা মহেন্দ্র রেড্ডি তার স্ত্রী স্বাতীকে (২৫) খুন করেছে। স্থানীয়দের দাবি, বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। সম্প্রতি সেই ঝগড়া আরও বেড়ে যায়। গত ২২ আগস্টও গর্ভবতী স্ত্রীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে চরম ঝগড়া হয়। এরপরই মহেন্দ্র স্ত্রীকে খুনের পরিকল্পনা করে।

পুলিশ জানিয়েছে, মহেন্দ্র একটি দোকান থেকে ধারালো ব্লেড কিনে এনেছিল। সেই ব্লেড দিয়েই সে প্রথমে স্বাতীকে খুন করে এবং তারপর তার দেহ টুকরো টুকরো করে ফেলে। দেহের মাথা, হাত এবং পা কেটে আলাদা করে মুসি নদীতে ফেলে দেয়। পুলিশের ধারণা, সে তিন দফায় দেহের টুকরোগুলি নদীতে ফেলেছিল।

প্রতিবেশীরা মহেন্দ্রর বাড়ি থেকে কিছু অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি চাদরের মধ্যে দেহের কয়েকটি অংশ দেখতে পায়। এরপরই মহেন্দ্রকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশি জেরায় মহেন্দ্র তার অপরাধ স্বীকার করেছে।

পুলিশ এখন নদীর মধ্যে দেহের বাকি অংশগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। তবে কেন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটল, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা এই ঘটনায় স্তম্ভিত এবং আতঙ্কিত।