বিয়েতে চাপ দেওয়ায় খুন প্রেমিকাকে, দেহ ৭ টুকরো করে কুয়োয় ফেলে দিলো প্রেমিক

উত্তর প্রদেশের ঝাঁসিতে এক ভয়ংকর খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এক মহিলার খণ্ডবিখণ্ড দেহ কুয়ো ও নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় মহিলার প্রেমিক এবং প্রাক্তন গ্রামপ্রধান সঞ্জয় প্যাটেল ও তার ভাইপোকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ার কারণেই এই খুন করা হয়েছে।
নিহত মহিলার নাম রচনা যাদব, তিনি মধ্যপ্রদেশের টিকামগড় জেলার বাসিন্দা। স্বামীর মৃত্যুর পর একটি আইনি বিষয় নিয়ে সঞ্জয় প্যাটেলের সঙ্গে তার পরিচয় হয় এবং তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জানা গেছে, রচনা সঞ্জয়কে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন, যা সঞ্জয়কে বিরক্ত করে। এরপরই তিনি তার ভাইপো সন্দীপ প্যাটেল এবং আরও একজনের সঙ্গে মিলে রচনাকে খুনের পরিকল্পনা করেন।
খুনের বিবরণ
অভিযোগ, গত ৮ আগস্ট সঞ্জয় ও তার সহযোগীরা রচনাকে খুন করে। এরপর তার দেহকে সাতটি টুকরো করে বস্তায় ভরে কুয়ো ও নদীতে ফেলে দেয়। ১৩ আগস্ট এক কৃষক তার জমিতে থাকা কুয়ো থেকে দুর্গন্ধ পান এবং দেখেন দুটি বস্তা ভাসছে। পুলিশ এসে বস্তা দুটি উদ্ধার করে, যেখানে মহিলার কাটা হাত ও পা পাওয়া যায়। এরপর তল্লাশি চালিয়ে লকহেরি নদী থেকে মহিলার মাথা উদ্ধার করা হয়। পরে তার ভাই দেহটি শনাক্ত করেন।
পুলিশের তদন্ত ও গ্রেপ্তার
ঝাঁসি পুলিশের সিনিয়র সুপার জানিয়েছেন, এই খুনের তদন্তের জন্য ৮টি দল গঠন করা হয়েছিল। শতাধিক গ্রামবাসীকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্ত সঞ্জয় ও তার ভাইপো সন্দীপকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় তৃতীয় অভিযুক্ত প্রদীপ আহিরওয়ার এখনও পলাতক। পুলিশ তাকে খোঁজার জন্য তল্লাশি চালাচ্ছে।