ব্যর্থ স্বামী, সন্তান জন্মদানের অজুহাতে বৌমাকে দিয়ে গোপনাঙ্গে তেল মালিশ করিয়ে ধর্ষণ শ্বশুরের!

বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই এক গৃহবধূকে তাঁর শ্বশুর এবং ননদের স্বামী বারবার ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে গুজরাটের ভাদোদরায়। আরও ভয়াবহ বিষয় হলো, ওই গৃহবধূর স্বামী সবকিছু জেনেও চুপ করে ছিলেন এবং স্ত্রীকে চুপ থাকার জন্য হুমকি দিতেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালে ওই নারীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর জানা যায়, তাঁর স্বামীর সন্তান জন্মদানে সমস্যা রয়েছে। পরে যখন ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ) পদ্ধতিও ব্যর্থ হয়, তখন পরিবারে নির্যাতন শুরু হয়।
অভিযোগ, জুলাই ২০২৪ থেকে তাঁর শ্বশুর তাঁকে ধর্ষণ করা শুরু করেন। এমনকি তাঁর স্বামী এই বিষয়ে জানার পরও কোনো প্রতিবাদ করেননি, উল্টে স্ত্রীকে হুমকি দেন যে, মুখ খুললে তাঁর ব্যক্তিগত ছবি ফাঁস করে দেবেন। এরপর ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে ননদের স্বামীও তাঁকে ধর্ষণ করা শুরু করে।
ঠিক একই ধরনের ঘটনা কিছুদিন আগে পূর্ব কলকাতার নারকেলডাঙায় ঘটেছে। সেখানে এক নববধূ অভিযোগ করেছিলেন, বিয়ের তিন মাসের মধ্যে তাঁর শ্বশুর তাঁকে বারবার ধর্ষণ করেছে। সেই ক্ষেত্রেও তাঁর স্বামী ও পরিবারের অন্য সদস্যরা চুপ ছিলেন। ওই ঘটনার পর নির্যাতিতা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানালে অভিযুক্ত শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গুজরাটের ঘটনায় ওই গৃহবধূ সাহস করে পুলিশের কাছে গেলে, পুলিশ তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে একটি এফআইআর দায়ের করেছে। দুই ক্ষেত্রেই পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগগুলো খুবই গুরুতর। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ধরনের ঘটনা সমাজে নারীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। সমাজ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভয় এবং সামাজিক লজ্জার কারণে অনেক নির্যাতিতা মুখ খুলতে পারেন না। তাই পুলিশ এবং আদালতের উচিত, এই ধরনের ঘটনায় দ্রুত এবং সংবেদনশীল পদক্ষেপ নেওয়া।