জীবনে উন্নতি, অর্থের বৃষ্টি চান? তাহলে অবশ্যই গণেশ চতুর্থীর দিন এই কাজ গুলি মনে kore করুন

ওঁ গাং গণেশায় নমঃ… এই মন্ত্রটি সিদ্ধিদাতা গণেশের পূজার সময় পাঠ করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এই মন্ত্র পাঠ করলে মনস্কামনা পূরণ হয়। যেকোনো শুভ কাজ বা পূজা শুরুর আগে গণেশের আরাধনা করা আবশ্যক। মা দুর্গা মর্ত্যে আসার আগে তাঁর পুত্র গণেশ চতুর্থীর মাধ্যমে পূজার দামামা বাজিয়ে দেন। এই দিনে কিছু নিয়ম মেনে চললে জীবনে উন্নতি আসে, ভাগ্যের দুয়ার খোলে এবং আর্থিক সমৃদ্ধি ঘটে।
গণেশ চতুর্থীর কিছু সহজ টোটকা
জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, গণেশ চতুর্থীর দিনে নিচের কয়েকটি নিয়ম পালন করলে আপনার জীবন আরও সুন্দর হয়ে উঠতে পারে:
গণেশের মূর্তি স্থাপন: গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশের মূর্তি স্থাপন করা শুভ। সম্ভব হলে গণেশ যন্ত্রম স্থাপন করতে পারেন। এর ফলে ঘরে অশুভ শক্তি প্রবেশ করতে পারে না এবং শুভ শক্তির সঞ্চার হয়।
পূজা স্থান: একটি ছোট কাঠের আসনে গণেশের মূর্তি স্থাপন করতে পারেন। আসন পাতার আগে সেখানে সামান্য গম এবং মুগডাল ছড়িয়ে তার ওপর একটি লাল কাপড় বা শালু বিছিয়ে নিতে হবে।
দিক এবং নৈবেদ্য: ঠাকুরের আসন সব সময় পূর্ব অথবা উত্তর দিকে রাখা উচিত। গণেশের মূর্তি স্থাপনের পর মূর্তির দুই পাশে দুটি সুপারি এবং সিঁদুর মাখিয়ে রাখতে হবে। গণেশ পূজার নৈবেদ্যে ফল, মিষ্টি, ঘি এবং গুড় রাখা যেতে পারে। তবে গণেশ পূজায় দূর্বা ঘাস অপরিহার্য। পূজার সময় এক গুচ্ছ দূর্বা ঘাস গণেশ মূর্তির বাম পাশে রাখতে ভুলবেন না।
বিবাহের জন্য: যদি আপনার পরিবারে কেউ বিবাহযোগ্য থাকে, তাহলে গণেশ চতুর্থীর দিনে গণেশকে মালপোয়া, মোদক এবং হলুদ রঙের মিষ্টি অর্পণ করতে পারেন। এতে বিবাহের বাধা দূর হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।
মন্ত্র পাঠ: গণেশ চতুর্থীর দিনে ভালো ফল পেতে ১০৮ বার গণেশ মন্ত্র পাঠ করতে পারেন। এতে গণেশের আশীর্বাদ সর্বদা আপনার ওপর বজায় থাকবে এবং জীবনের সব বাধা দূর হবে।