শুধু তালের বড়াই নয়, গোপালকে সন্তুষ্ট করতে নিবেদন করুন এই ৬ খাবার, পূর্ণ হবে সমস্ত মনস্কামনা!

হিন্দুদের বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে জন্মাষ্টমী একটি অন্যতম উৎসব। আজ, ১৬ আগস্ট, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন। এই দিনটিতে দেশজুড়ে ভক্তরা নানাভাবে শ্রীকৃষ্ণের পুজো করেন এবং তার প্রিয় খাবার দিয়ে ভোগ নিবেদন করেন। জন্মাষ্টমীর অন্যতম জনপ্রিয় ভোগ হলো তালের বড়া, যার প্রচলন হয়েছিল গোকুলে নন্দ উৎসবে। তবে তালের বড়া ছাড়াও আরও কিছু বিশেষ খাবার রয়েছে, যা শ্রীকৃষ্ণকে প্রসন্ন করতে পারে।

শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিনে তার প্রিয় কিছু খাবারের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

১. ক্ষীর: শ্রীকৃষ্ণের প্রিয় খাবারের মধ্যে ক্ষীর অন্যতম। তার জন্মদিনে কাজু ও পেস্তা ছড়ানো ক্ষীরের পায়েস তৈরি করে ভোগ নিবেদন করতে পারেন। দুধ দিয়ে ঘন করে তাতে চাল এবং চিনি মিশিয়ে এই ক্ষীর তৈরি করা হয়।

২. মালপোয়া: মালপোয়া হলো আরেকটি মিষ্টি খাবার যা শ্রীকৃষ্ণ খুব পছন্দ করতেন বলে জানা যায়। জন্মাষ্টমীর দিন তাকে মালপোয়া নিবেদন করলে তিনি খুব খুশি হন। তাই এই বিশেষ দিনে বংশীধরের কৃপা পেতে মালপোয়া ভোগে রাখতে ভুলবেন না।

৩. নাড়ু: শ্রীকৃষ্ণকে অনেকেই আদর করে ‘নাড়ুগোপাল’ বলে ডাকেন। কারণ নাড়ু তার খুব প্রিয় একটি খাবার। তাই জন্মাষ্টমীর ভোগে নারকেলের নাড়ু বা তিলের নাড়ু দিতে পারেন।

৪. রাবড়ি: দুধ, দই এবং মাখনের মতো শ্রীকৃষ্ণের প্রিয় খাবারের তালিকায় রাবড়িও রয়েছে। দুধ ঘন করে তৈরি এই মিষ্টি খাবারটি জন্মাষ্টমীর ভোগে রাখা একটি প্রচলিত প্রথা। এর সঙ্গে মালাইও নিবেদন করা যেতে পারে।

৫. পনজিরি: শ্রীকৃষ্ণের অন্যতম প্রিয় খাবার হলো পনজিরি। এটি মূলত ময়দা, ঘি, চিনি এবং বাদাম দিয়ে তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় মিষ্টি। মনে করা হয়, এই ভোগ পেলে শ্রীকৃষ্ণ সহজেই প্রসন্ন হন।

৬. মোহনভোগ: মোহনভোগ হলো ভাজা সুজির হালুয়া, যা শ্রীকৃষ্ণের আরেকটি প্রিয় খাবার। বিশ্বাস করা হয় যে, মোহনভোগ ছাড়া শ্রীকৃষ্ণের পুজো অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাই জন্মাষ্টমীর ভোগে মোহনভোগ অবশ্যই রাখা উচিত।

এইসব সুস্বাদু খাবার তৈরি করে শ্রীকৃষ্ণকে নিবেদন করে তার জন্মদিনকে আরও বিশেষ করে তুলতে পারেন ভক্তরা।