“১০৮ তীর্থের জল, ১০০৮টি নাড়ু,”-প্রথম জন্মাষ্টমীতে বড় আয়োজন দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে

পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আদলে তৈরি দিঘার জগন্নাথ ধাম, যা বর্তমানে বাংলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। সৈকত শহরে আসা পর্যটকদের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠেছে। আর এবারই প্রথম এখানে পালিত হচ্ছে জন্মাষ্টমী উৎসব, যার জন্য মন্দির কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।

জন্মাষ্টমীর বিশেষ আয়োজনে মধ্যরাত পর্যন্ত মন্দির খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, ঠিক রাত ১২টায়, শ্রীকৃষ্ণের জন্মক্ষণে, সম্পূর্ণ মন্দির প্রাঙ্গণের আলো নিভিয়ে দেওয়া হবে। এরপর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই রঙিন আলোয় আবার ঝলমল করে উঠবে মন্দির। ভক্তরা সরাসরি এই দৃশ্য দেখতে পারবেন।

তীর্থক্ষেত্রের জল ও বিশেষ প্রসাদ:
মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মদনমোহন জিউয়ের অভিষেকের জন্য দেশের ১০৮টি তীর্থস্থান থেকে জল আনা হয়েছে। এই অভিষেক অনুষ্ঠানে এবার ভক্তরাও সরাসরি অংশ নিতে পারবেন। ইসকনের সন্ন্যাসীরা কৃষ্ণ ভগবানের প্রিয় নারকেলের নাড়ু তৈরি করছেন। মোট ১,০০৮টি নাড়ু মধ্যরাতে মদনমোহন জিউকে অর্পণ করা হবে। এর পাশাপাশি বাংলার বিভিন্ন বিখ্যাত মিষ্টিও ভোগ হিসেবে দেওয়া হবে। এই প্রসাদ পূজার পর ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

দিঘা জগন্নাথ ধাম ট্রাস্টের সদস্য রাধারমণ দাস জানান, জন্মাষ্টমীর প্রস্তুতি পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে এবং সারাদিন বিভিন্ন ভক্তিমূলক অনুষ্ঠান চলবে। ভক্তদের সুবিধার জন্য রাত ১২টা পর্যন্ত মন্দির খোলা থাকবে। স্বাধীনতা দিবস এবং জন্মাষ্টমী উপলক্ষে লম্বা ছুটির কারণে দিঘায় পর্যটকদের ভিড় বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তাই অতিরিক্ত পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।