‘বুকে চিনচিনে ব্যথা হয় না, গর্বে বুক ফুলে ওঠে’, নাম না করেই রাজের প্রাক্তন স্ত্রীকে জবাব দিলেন শুভশ্রীর দিদি

‘ধূমকেতু’র ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে দেব এবং শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়কে প্রায় দশ বছর পর একসঙ্গে দেখে অনুরাগীরা উচ্ছ্বসিত হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে খুনসুটি, অভিমান এবং নাচ সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছিল। এই ঘটনার পর রাজ চক্রবর্তীর প্রাক্তন স্ত্রী শতাব্দী মিত্র একটি ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “আজ তুই যে জায়গায় দাঁড়িয়ে, আমি অনেক আগেই হেঁটেছি সেই পথ ধরে। তোর এই বুকের বাঁদিকের চিনচিনে ব্যথা— আমারও খুব চেনা, ঠিক একই পথ ধরে।”
শতাব্দীর এই মন্তব্যের সরাসরি জবাব না দিয়ে শুভশ্রীর দিদি দেবশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় আনন্দবাজার ডট কমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, “না, বুকের বাঁ দিকটা ওঁর চিনচিন, ঝিনঝিন কোনওটাই করেনি। ওঁর নাম রাজ চক্রবর্তী। তিনি শুধু সফল পরিচালক, প্রযোজক বা বিধায়ক নন, সফল স্বামী এবং বাবাও। শুধুই নিজের নির্বাচনী এলাকার মানুষদের নয়, নিজের পরিবারেরও যত্ন নিতে জানেন। রাজ চেনেন তাঁর অভিনেত্রী স্ত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়কে। রাজই ওঁর বৌয়ের সব চেয়ে বড় সমর্থক, উৎসাহদাতা, ‘চিয়ার লিডার’।”
দেবশ্রী আরও বলেন, “ভুলে যাবেন না, দেব-শুভশ্রী দু’জনেই পেশাদার। ওঁরা কাজ করে নিজের বাড়ি ফেরে। আমার বোন কারও বৌ। দুই সন্তানের মা। দেব তেমনই কারও সন্তান। কারও প্রেমিক। আজ এই বয়সে এসে ওরা দু’জনেই জানে, কোথায় সীমা টানতে হয়। তাই রাজের বুকে চিনচিনে ব্যথা হয় না। বরং গর্বে ফুলে ওঠে।”
শুভশ্রীর সফলভাবে সংসার এবং কর্মজীবন সামলে চলার পেছনে রাজের অবদানের কথা উল্লেখ করে দেবশ্রী বলেন, “সংযত, সুশৃঙ্খল জীবনযাপন, স্বামী-সন্তান আর নিজের কাজের সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা, সবটাই আমার ভগিনীপতির মতো বর পেয়েছে বলেই শুভ পারে। সব কিছু দু’জনে ভাগ করে নেয়। আমার চোখে দেখা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ স্বামী রাজ চক্রবর্তী।”
প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে রাজ চক্রবর্তী এবং শতাব্দী মিত্র বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। ২০১১ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর রাজের জীবনে পায়েল, মিমি এবং শেষে ২০১৮ সালে শুভশ্রী আসেন। বর্তমানে তাঁরা দুই সন্তানের বাবা-মা।