বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের কাছারিবাড়ি ভাঙচুরে কী ব্যবস্থা? লোকসভায় প্রশ্ন তুললেন অভিষেক, জবাব বিদেশমন্ত্রকের

বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে অবস্থিত রবীন্দ্রনাথের পৈতৃক ভিটে, রবীন্দ্র কাছারিবাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে এবার লোকসভায় প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলের দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই ঘটনায় কেন্দ্রের পদক্ষেপ জানতে চেয়েছিলেন এবং তার জবাব দিয়েছে বিদেশমন্ত্রক।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মোট পাঁচটি প্রশ্ন উত্থাপন করেন। তিনি জানতে চান, এই ভাঙচুরের ঘটনায় কেন্দ্রের তরফে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কাছারিবাড়ির নিরাপত্তা সম্পর্কে কী আশ্বাস পাওয়া গেছে, কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ভাঙচুরের ঘটনায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং সংস্কৃতি রক্ষায় ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে কোনো যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কিনা।

এই প্রশ্নগুলোর জবাবে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি মুছে ফেলার চেষ্টার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িতদের কঠিন শাস্তির বন্দোবস্ত করার জন্য বাংলাদেশকে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার অন্যতম আকর্ষণ রবীন্দ্র কাছারিবাড়ি। এটি ইন্দো-ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত একটি দোতলা বাড়ি এবং বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে রয়েছে। বাংলাদেশের প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ঘটনাটি ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের কারণে ঘটেছে, এর পেছনে কোনো সাম্প্রদায়িক বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। এই ঘটনার তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসন এবং প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর দুটি কমিটি গঠন করেছে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

অভিষেকের এই প্রশ্নের মাধ্যমে দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের বিষয়ে উদ্বেগ উঠে এসেছে।