পড়ানোর নামে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহে, কাঠগড়ায় গৃহশিক্ষক

চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে ডেবরায় শোরগোল পড়ে গেছে। অভিযোগের তির উঠেছে এক গৃহশিক্ষকের দিকে, যাকে ইতিমধ্যেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, পঞ্চাশোর্ধ ওই গৃহশিক্ষকের কাছে নাবালিকাটি বেশ কিছুদিন ধরেই পড়ছিল।

মঙ্গলবারও প্রতিদিনের মতো ওই গৃহশিক্ষক নাবালিকাটিকে পড়িয়েছিলেন। কিন্তু টিউশন শেষে মেয়ের পোশাক দেখে মায়ের সন্দেহ হয়। তখনই কান্নায় ভেঙে পড়ে ওই নাবালিকা এবং মায়ের কাছে সবটা খুলে বলে। মেয়ের মুখে যৌন নির্যাতনের কথা শুনে পরিবারের সদস্যরা আর দেরি করেননি। তারা সোজা ডেবরা থানার দ্বারস্থ হন এবং গৃহশিক্ষকের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ অ্যাকশন নেয়। প্রথমে ওই গৃহশিক্ষককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদে তার কথায় একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে পকসো (POCSO) আইনে মামলা রুজু হয়েছে।

বুধবারই ধৃতকে মেদিনীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন। এই খবর চাউর হতেই শিক্ষকের নামে নিন্দায় মুখর হয়েছেন এলাকার লোকজন। তারাও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছেন। এই ঘটনা ডেবরা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং শিশুদের সুরক্ষায় গৃহশিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।