ফের ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’! নবান্নের অর্থদপ্তরে হাজির মুখ্যমন্ত্রী, কর্মীদের সাথে কথা

বছরের শুরুতেই অর্থদপ্তরে ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ করে সবার নজর কেড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাজের খতিয়ান নিয়েছিলেন তিনি। এবার কয়েক মাস যেতে না যেতেই আবারও সেই একই দৃশ্য! মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎই নবান্নের অর্থদপ্তরে হাজির হলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু কাজের খতিয়ানই নয়, কর্মচারীদের সুবিধা-অসুবিধার খোঁজখবরও নিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর এই আচমকা পরিদর্শনে কর্মীরা দারুণ খুশি।

জানা যাচ্ছে, গতকাল দুপুর ১২:৩০ নাগাদ আচমকাই মুখ্যমন্ত্রী অর্থদপ্তরের ই-গভর্ন্যান্স সেলে ঢুকে পড়েন। সাধারণত, এই সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে পৌঁছে সোজা ১৪ তলায় তাঁর নিজের দপ্তরে চলে যান। কিন্তু গতকাল তিনি হঠাৎ করে ১২ তলায় নেমে আসেন এবং সরাসরি অর্থদপ্তরের ই-গভর্ন্যান্স সেলে প্রবেশ করেন।

এই সেল থেকেই অর্থদপ্তরের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ কাজ পরিচালিত হয়। সেখানে প্রবেশ করেই মুখ্যমন্ত্রী কর্মীদের সাথে কথা বলেন এবং অফিসের কাজকর্ম ঘুরে দেখেন। প্রায় ৬-৭ মিনিট সেখানে থাকার পর তিনি তাঁর নিজের দপ্তরে চলে যান বলে খবর। বের হওয়ার আগে অবশ্য কর্মচারীদের আবদারে তাদের সঙ্গে ছবিও তোলেন।

মুখ্যমন্ত্রীর এই ‘সারপ্রাইজ ভিজিটে’ অর্থদপ্তরের ই-গভর্ন্যান্স সেলের কর্মীরা বেশ খুশি। কাজের ফাঁকে মুখ্যমন্ত্রীকে অপ্রত্যাশিতভাবে পেয়ে আপ্লুত সকলে। এই ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ নিয়ে কর্মীরা বলেছেন, “ম্যাডাম নিজে এসে কাজকর্ম খতিয়ে দেখলেন। আমাদের সুবিধা-অসুবিধার খোঁজখবর নিলেন।” মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের পদক্ষেপ কর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

নবান্নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর রয়েছে এবং মুখ্যমন্ত্রী মাঝেমধ্যেই সেগুলিতে ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ করেন। তিনি নিজে চোখে কাজকর্ম খতিয়ে দেখেন এবং কর্মীদের সাথে সরাসরি কথা বলেন। গতকালও সেই একই ধারা বজায় রেখে আচমকাই অর্থদপ্তরের ই-গভর্ন্যান্স সেলে হাজির হন। কাজকর্ম খতিয়ে দেখার পাশাপাশি কর্মীদের সাথে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই পদক্ষেপে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীরা খুবই খুশি। মুখ্যমন্ত্রী নিজে এসে যেভাবে কাজকর্ম দেখলেন এবং তাদের সুবিধা-অসুবিধার খোঁজ নিলেন, তাতে কর্মীরা বেশ আপ্লুত।

মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের পরিদর্শন প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধিতে কতটা সাহায্য করবে, তা সময়ই বলবে।