Recipe: বৃষ্টির দিনে বানিয়ে ফেলুন চিংড়ির সর্ষে পোলাও, শিখেনিন রান্নার সেরা পদ্ধতি

বর্ষা মানেই বাঙালি পাতে ইলিশের রাজত্ব। তবে, এবার ইলিশের একঘেয়েমি কাটাতে অথবা যারা চিংড়ি ভালোবাসেন, তাদের জন্য রইল এক ভিন্ন স্বাদের রেসিপি। মালাইকারি বা পাতুরির বাইরে গিয়ে নতুন কিছু চেষ্টা করতে চাইলে সহজেই তৈরি করে ফেলতে পারেন জিভে জল আনা চিংড়ির সর্ষে পোলাও। বর্ষার এই মরশুমে ইলিশকে সাময়িক ছুটি দিয়ে রসনা বিলাসে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে পারেন এই পদ দিয়ে।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
চিংড়ি: ৫০০ গ্রাম (মাঝারি আকারের, খোসা ছাড়ানো)
পোলাওয়ের চাল: ৫০০ গ্রাম (বাসমতী বা গোবিন্দভোগ চাল)
পেঁয়াজ কুচি: ১ কাপ
সর্ষে বাটা: ১ টেবিল চামচ
কাঁচালঙ্কা: ৪-৫টি (স্বাদমতো)
আদা বাটা: ১ টেবিল চামচ
দারচিনি: ২ টুকরো
এলাচ: ৪টি
লবঙ্গ: ৪-৫টি
তেজপাতা: ২টি
নুন: স্বাদমতো
তেল: পরিমাণ মতো
রান্নার প্রণালী:
১. চাল প্রস্তুত: প্রথমে পোলাওয়ের চাল ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে রাখুন। চাল যেন ঝরঝরে থাকে।
২. চিংড়ি ভাজা: একটি কড়াইয়ে সামান্য তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি, সর্ষে বাটা এবং কাঁচালঙ্কা দিয়ে হালকা ভেজে নিন। এরপর চিংড়ি মাছগুলো দিয়ে মিনিট দুয়েক ভেজে তুলে রাখুন। বেশি ভাজলে চিংড়ি শক্ত হয়ে যায়।
৩. পোলাওয়ের প্রস্তুতি: একই কড়াইয়ে (প্রয়োজনে আরও কিছুটা তেল যোগ করুন) তেজপাতা, দারচিনি, এলাচ এবং লবঙ্গ ফোঁড়ন দিন। সুন্দর গন্ধ বের হলে আদা বাটা এবং জল ঝরানো চাল দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। চাল যেন হালকা সোনালী হয় এবং প্রতিটি দানায় তেল লেগে যায়।
৪. জল ও নুন যোগ: এবার ৩-৪ কাপ গরম জল এবং স্বাদমতো নুন দিয়ে ভালোভাবে নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন যেন চালের সব দিকে সমান তাপ লাগে।
৫. দম দেওয়া: প্রথম ৫ মিনিট মাঝারি আঁচে রান্না করুন। এরপর আঁচ একদম মৃদু করে ঢাকনা দিয়ে ১৫ মিনিট দমে রাখুন। এই সময় চাল প্রায় ৮০% সেদ্ধ হয়ে যাবে।
৬. চিংড়ি মেশানো: ১৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলে ভাজা চিংড়ি মাছগুলো পোলাওয়ের সঙ্গে আলতো করে মিশিয়ে দিন। এবার আরও কিছুক্ষণ ঢাকনা দিয়ে দমে রাখুন, যাতে চিংড়ির ফ্লেভার পোলাওয়ের সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যায়।
৭. পরিবেশন: চাল সম্পূর্ণ সেদ্ধ হয়ে ঝরঝরে হয়ে এলে নামিয়ে নিন। গরম গরম চিংড়ির সর্ষে পোলাও স্যালাডের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
এই বর্ষায় ইলিশের একঘেয়েমি কাটিয়ে এই সুস্বাদু চিংড়ির সর্ষে পোলাও আপনার পরিবারের সদস্যদের মন জয় করে নেবে নিশ্চিত!