OMG! চোর সন্দেহে কিশোরকে উল্টো ঝুলিয়ে ইলেকট্রিক শক, ভয়াবহ নির্যাতন, পলাতক অভিযুক্তরা

কলকাতা সংলগ্ন মহেশতলায় এক ভয়াবহ ঘটনা সামনে এসেছে। ১৪ বছরের এক কিশোরকে মোবাইল চুরির মিথ্যা অভিযোগে উল্টো করে ঝুলিয়ে মারধর এবং ইলেকট্রিক শক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই নাবালককে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার একটি নৃশংস ভিডিও ভাইরাল হয়েছে (যদিও এর সত্যতা যাচাই করা হয়নি), যা দেখে শিউরে উঠেছে কিশোরের পরিবার। অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক। ঘটনাটি ঘটেছে মহেশতলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগর থানার কানখুলি পূর্বপাড়া এলাকায়।

আক্রান্ত ওই কিশোরের বাড়ি ইসলামপুর থানার ছোঘরিয়া এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে ইসলামপুরের শাহেনশা নামের এক ব্যক্তি রবীন্দ্রনগর থানার অন্তর্গত মহেশতলা পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কানকুলি পূর্বপাড়ায় একটি জিন্স প্যান্ট ধোয়ার কারখানা ভাড়া নিয়ে চালাচ্ছিলেন। কাজের প্রলোভন দেখিয়ে শাহেনশা ওই গ্রাম থেকেই একই পরিবারের দুই ভাইকে মহেশতলায় নিয়ে এসেছিলেন। গত দু’মাস ধরে সেখানেই কাজ করছিল এই দুই ভাই।

অভিযোগ উঠেছে, ১৪ বছরের ওই নাবালকের বিরুদ্ধে মোবাইল চুরির মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়। এরপরই তাকে পাশবিকভাবে উল্টো করে ঝুলিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং দেওয়া হয় বিদ্যুতের শক। এই ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে নাবালকের পরিবারের নজরে আসে। ভিডিওটি দেখেই তারা দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং ওই নাবালককে উদ্ধার করে।

বর্তমানে শাহেনশার সেই কারখানাটি বন্ধ অবস্থায় পড়ে আছে এবং ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নাবালকের পরিবার রবীন্দ্রনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানা গেছে।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, এই ঘটনায় মূল অভিযুক্তের এক পরিচিতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত শাহেনশাকে গ্রেফতার করার জন্য জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ এই জঘন্য অপরাধের দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।