বিশেষ: L-70 থেকে শিলকা, মাঝ আকাশেই পাকিস্তানের ৬০০ ড্রোন গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতের যে কামান

সাম্প্রতিক ‘অপারেশন সিঁদুরের’ মাধ্যমে পাকিস্তানে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করার পর পাল্টা হামলার অংশ হিসেবে পাকিস্তান ভারতের উপর একের পর এক ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের সুপরিকল্পিত কৌশল এবং দক্ষতা দিয়ে সেই সমস্ত প্রচেষ্টা সফলভাবে বানচাল করে দিয়েছে। জানা গেছে, প্রায় ৬০০টিরও বেশি পাকিস্তানি ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করে দিয়েছেন ভারতীয় জওয়ানরা। এই ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করেছে যে, অত্যাধুনিক অস্ত্রের পাশাপাশি প্রশিক্ষিত ও দক্ষ সেনাই আধুনিক যুদ্ধে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করে।

সম্প্রতি ভারতীয় বায়ুসেনা পাকিস্তানে প্রবেশ করে একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর থেকেই পাকিস্তান বেশ চাপে ছিল। এর প্রতিশোধ নিতে তারা ভারতের সেনা ঘাঁটি এবং সীমান্তবর্তী সাধারণ লোকবসতি এলাকা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করে।

কিন্তু ভারতীয় সেনার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং জওয়ানদের সতর্ক প্রহরা পাকিস্তানের সমস্ত প্ল্যান বানচাল করে দেয়। এই প্রতিরোধে যেমন অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা কাজে লাগানো হয়েছে, তেমনই ভারতীয় জওয়ানরা দক্ষতার সঙ্গে ৭০-৮০-র দশকের পুরনো কামানগুলিও ব্যবহার করেছেন ড্রোন ধ্বংস করার কাজে। এটি স্পষ্ট করে দেয় যে, শুধু উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র হাতে থাকলেই হয় না, সেগুলির সঠিক ও কার্যকর ব্যবহার করার মতো পেশাদার এবং দক্ষ সেনাও অত্যন্ত জরুরি।

সূত্র অনুযায়ী, পাকিস্তান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের দিকে পাঠানো প্রায় ৬০০টিরও বেশি ড্রোনকে ভারতীয় সেনাবাহিনী সফলভাবে গুলি করে নামিয়ে দিয়েছে। ভারতীয় সেনার নিরবচ্ছিন্ন নজরদারি এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়ার ফলে পাকিস্তানের ড্রোনগুলি নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। ভারতীয় সেনার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কার্যত একটি দুর্ভেদ্য বলয়ের মতো কাজ করেছে, যার ফলে পাকিস্তানের সমস্ত হামলা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

এই ঘটনা প্রমাণ করে যে সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতের নজরদারি কতটা শক্তিশালী এবং যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারতীয় সেনাবাহিনী কতটা প্রস্তুত ও সক্ষম। এটি একদিকে যেমন পাকিস্তানের আগ্রাসনকে প্রতিহত করেছে, তেমনই অন্যদিকে সামরিক ক্ষেত্রে ভারতীয় জওয়ানদের উচ্চ পর্যায়ের দক্ষতাকেও বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরেছে।