ভারতের বিমানঘাঁটি ধ্বংসের মিথ্যে দাবি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর, কড়া জবাব ভারতের

আপনার দেওয়া লেখাটি একটি নির্দিষ্ট ঘটনার বিবরণ দিচ্ছে যেখানে পাকিস্তানের মিথ্যাচার এবং ভারতের প্রতিক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে। এই তথ্যগুলো বজায় রেখে এটিকে “নতুনভাবে” লেখার জন্য এখানে একটি বিকল্প প্রস্তাব দেওয়া হলো:
পাকিস্তানের মিথ্যাচার বনাম ভারতের কড়া জবাব: যুদ্ধবিরতি এবং শাহবাজ শরিফের দ্বিচারিতা
সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তান একের পর এক মিথ্যা দাবি প্রচার করে চলেছে। তাদের বায়ুসেনা ভারতের বিমানঘাঁটি ধ্বংস করেছে এমন একটি ভিত্তিহীন দাবি করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসত্য। এখানেই না থেমে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এমনকি রাফাল যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার মতো ডাহা মিথ্যে দাবিও করেছেন! সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তান লাগাতার প্রচার চালাচ্ছিল যে তারা নাকি ভারতীয় বায়ুসেনার একাধিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে এবং ভারতের সাইবার ও পাওয়ার সিস্টেমও বিকল করে দিয়েছে। কিন্তু এসবই ছিল চরম মিথ্যাচার।
ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রী গতকাল দুপুরেই সাংবাদিক বৈঠক করে পাকিস্তানের এই ‘ভুয়ো তথ্য ছড়ানো’-র বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছেন। ভারত পাকিস্তানের এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে চুপ করে না থেকে কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেন। এরপর গতকাল দুপুরেই পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (DGMO) ভারতের DGMO-কে ফোন করেন। ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় অবশেষে দুই দেশ সংঘর্ষ বিরতিতে সম্মত হয়। বিকেল ৫টা থেকে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ রাখার কথা ভারতের তরফে বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রী সংবাদমাধ্যমের সামনে ঘোষণা করেন।
কিন্তু এতকিছুর পরেও পাকিস্তান তাদের মিথ্যাচার থেকে সরে আসেনি। জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আবারও দ্বিচারিতার পথ বেছে নিয়েছেন এবং বুক চাপড়েছেন। একদিকে তিনি যুদ্ধবিরতির জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, অন্যদিকে মুদ্রার উল্টোপিঠ দেখিয়েছেন। গতকাল সংঘর্ষবিরতি ঘোষণার মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তান সমঝোতা ভেঙে গুলি চালিয়েছে! আর রাত বাড়তেই পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ সেই পুরনো মিথ্যাকেই আঁকড়ে ধরেন। ভারতের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে তিনি ‘ঐতিহাসিক জয়’ বলে ঘোষণা করেন এবং পাক সেনাদের প্রশংসা করেন, যা ছিল সম্পূর্ণ বাস্তবতাবিবর্জিত।
এই নতুন উপস্থাপনায় মূল তথ্যগুলো একই রাখা হয়েছে, তবে বাক্য গঠন এবং অনুচ্ছেদের বিন্যাসে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে যাতে বিষয়টি ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা যায়। আশা করি এটি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী হয়েছে।