যুদ্ধবিরতি ঘোষণা, তারপরই কাশ্মীরের সীমান্তে লাগাতর হামলা, শহীদ BSF জওয়ান

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও সীমান্তের পরিস্থিতি শান্ত থাকেনি। শনিবার বিকেল ৫টা থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও, এর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তান তা লঙ্ঘন করে হামলা শুরু করে। রাতভর কীভাবে পাকিস্তান সংঘর্ষ চালিয়েছে, সেই বিষয়ে আজ, রবিবার সকাল ১১টায় একটি সাংবাদিক বৈঠকে বিস্তারিত জানাবে ভারতীয় সেনাবাহিনী।
শনিবার বিকেল ৫টায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই ঘোষণার প্রায় তিন ঘণ্টা পরই পাকিস্তান জম্মু-কাশ্মীরের সীমান্ত লাগোয়া অন্তত ১১টি জায়গায় গুলিবর্ষণ শুরু করে। পাশাপাশি ড্রোন হামলারও চেষ্টা করা হয়। এই পাক হামলায় বিএসএফের এক সাব-ইন্সপেক্টর মহম্মদ ইমতিয়াজ শহিদ হয়েছেন এবং সাত জন আহত বলে জানা গেছে।
শনিবার সন্ধ্যায় প্রায় সাড়ে ৭টা থেকে জম্মু-কাশ্মীর সীমান্তে নতুন করে গুলির শব্দ শোনা যায়। জম্মু-শ্রীনগর সহ একাধিক এলাকায় ড্রোন হামলা হয় এবং সেখানে সাইরেন বাজাতে হয়। বারামুলা ও বদগামেও চলে গোলাগুলি। শুধু জম্মু-কাশ্মীর নয়, রাজস্থানের সীমান্ত এলাকার কিছু অংশেও সতর্কতা হিসেবে সাইরেন বাজিয়ে ব্ল্যাকআউট করা হয়।
প্রাথমিকভাবে যুদ্ধবিরতির খবর সীমান্তবর্তী রাজ্যের বাসিন্দাদের কিছুটা স্বস্তি দিলেও, দ্রুত পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় তাঁদের মনে নতুন করে উদ্বেগ ও প্রশ্ন দেখা দেয় এই শান্তি কতদিন স্থায়ী হবে তা নিয়ে।
তবে, শনিবার রাতে ড্রোন হামলা ও বিস্ফোরণের পর নতুন করে বড়সড় গোলাবর্ষণ হয়নি। ১০-১১ তারিখের মধ্যবর্তী রাতে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং নিয়ন্ত্রণরেখা মোটের উপর শান্তই ছিল।
এদিকে, সীমান্তে এই পরিস্থিতির মধ্যেই দক্ষিণ কাশ্মীরে অভিযান চালাচ্ছে স্টেট ইনটেলিজেন্স এজেন্সি (এসআইএ)। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, আজ সকালে কুলগাম জেলার একাধিক জায়গায় ইনতেলিজেন্সের আধিকারিকরা তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন।