সিংহবাহিনী ত্রিনয়নী : ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ রূপে শুভশ্রীকে দেখে চটল মিঠাই-ভক্ত, লিখলেন ‘অভিনয় পারে না শুভশ্রী’

পিতৃপক্ষের শেষক্ষণ ও মাতৃপক্ষের সূচনাকালের সময়কেই মহালয়া বলা হয়। মহান কিংবা মহত্বের আলয় (আশ্রয়) থেকেই এই শব্দের উৎপত্তি। সনাতন ধর্ম অনুযায়ী, এই দিনে প্রয়াত আত্মাদের মর্ত্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, প্রয়াত আত্মার যে সমাবেশ হয় তাকেই মহালয় বলা হয়ে থাকে। যদিও এই নামের একাধিক অর্থ হয়েছে। পুরাণ, শাস্ত্র ও আভিধানিক ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন অর্থ দেখা যায়।

দুর্গাপুজোর সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে ‘মহালয়া’। আর মহালয়ার ভোরে কোন চ্যানেল কত দর্শক টানবে সেই নিয়ে জোর টক্কর। যদিও এই বছর জি বাংলায় দূর্গা বেশে দেখা যাবে টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে। প্রথমে শোনা গিয়েছিল ‘মিঠাই’ মানে সৌমিতৃষা কুণ্ডুই এবার দূর্গা সাজবেন । কিন্তু বুধবার চ্যানেলের তরফ থেকে এবারের মহালয়ার এক ঝলকও সামনে আসতেই খেপে গেলেন মিঠাই ভক্ত। কারণ এর আগের বারের মতো এবারও দূর্গা বেশে থাকছেন শুভশ্রী। এবারের মহালয়ার প্রভাতঅনুষ্ঠানের নাম ‘সিংহবাহিনী ত্রিনয়নী’।

মহালয়ার এক ঝলক দেখেই একাংশের মত, ‘আরও তো অনেক নায়িকারা ছিল, তাদের সবাইকে বাদ দিয়ে শুভশ্রী কে কোনও মা দুর্গা করা হল। একদমই মানাচ্ছে না।’ এক মিঠাই-ভক্ত লিখলেন, ‘যে মেয়েটা চ্যানেলকে এত টিআরপি এনে দেয় তাঁকে বাদ দিয়ে কেন নেওয়া হল শুভশ্রীকে। ও তো অভিনয়ই করতে পারে না। শুধু ওই চোখ গোল গোল।’ কেউ কেউ আবার মনে করছেন, একেক বছর একেক নায়িকা দুর্গা হলে দেখতে আরও ভালো লাগে।

তবে অনেকে আবার শুভশ্রীর প্রশংসাও করেছেন । এক ভক্ত লিখেছেন, ‘ ২০১৯-এর মতো চোখে জল এসে গেল! ত্রিশূল নিয়ে যে লাফটা দিল সেটা জাস্ট দেখার মতো। কী অসাধারণ তেজ!’ নায়িকার তেজ, নাচের স্টেপে বুঁদ।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Zee Bangla Official (@zeebanglaofficial)