সংসার ভাঙনের মুখেও ম্যারেজ কাউন্সিলর চাননি আমির, কারণ জানালেন অভিনেতা

বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান সদ্য ৬০ বছর পূর্ণ করেছেন এবং এই সময়েই তাঁর জীবনের তৃতীয় সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। তবে জানেন কি, তাঁর প্রথম স্ত্রী রিনা দত্তর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের কঠিন সময়ে যখন সংসার ভাঙার মুখে দাঁড়িয়ে, তখনও তিনি ম্যারেজ কাউন্সেলরের সাহায্য নিতে প্রথমে একেবারেই রাজি ছিলেন না? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজেই জানিয়েছেন এর কারণ।

কাউন্সেলিং নিয়ে আমিরের ভাবনা:

পিঙ্কভিলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমির খান বলেন, কোনও অপরিচিত বা বাইরের লোকের কাছে নিজের ব্যক্তিগত জীবন বা সম্পর্কের কথা খুলে বলতে তিনি initially চাননি। সে কারণেই বিয়ে ভাঙতে বসেছে জেনেও ম্যারেজ কাউন্সিলরের দ্বারস্থ হতে অনীহা ছিল তাঁর।

আমির জানান, রিনার সঙ্গে আলাদা হওয়ার প্রক্রিয়া চলার সময় প্রায় দেড় বছর তাঁরা একজন ম্যারেজ কাউন্সেলরের কাছে গিয়েছিলেন। সেটাই ছিল থেরাপি বা কাউন্সেলিং নিয়ে তাঁর প্রথম অভিজ্ঞতা। তিনি স্বীকার করেছেন যে, ওই সময় তিনি এর বিরোধিতা করেছিলেন। রিনাকে বলেছিলেন, “আমার মনে কী চলছে, আমাদের সম্পর্কে কী সমস্যা – এসব কোনও অচেনা লোককে জানানোর প্রয়োজন নেই। একজন অচেনা ব্যক্তির সামনে আমি কী করে মনের কথা বলি?”

যদিও আমিরের অনিচ্ছা সত্ত্বেও রিনা তাঁকে বুঝিয়ে রাজি করান। আর এই অভিজ্ঞতার পর কাউন্সেলিং সম্পর্কে আমিরের ধারণা entirely বদলে যায়।

আমির খানের ব্যক্তিগত জীবন এক নজরে:

প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালে রিনা দত্তর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আমির খান। তাঁদের দুই সন্তান, জুনায়েদ খান এবং ইরা খান। ২০০২ সালে তাঁদের ২১ বছরের দাম্পত্যের ইতি ঘটে। এরপর ২০০৫ সালে পরিচালক কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। ২০২১ সালে সেই সম্পর্ক থেকেও বেরিয়ে আসেন তাঁরা। আমির এবং কিরণের এক পুত্র সন্তান রয়েছে, নাম আজাদ। সম্প্রতি ৬০তম জন্মদিনের ঠিক মুখে নিজের নতুন সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে এনেছেন আমির খান, যা নিয়ে ফের চর্চায় তিনি।