“পর্যটকদের লক্ষ্য করে গুলির বৃষ্টি…”-ভাইরাল পহেলগাঁও হামলার নতুন ভিডিও, দেখেনিন এক নজরে

জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে গত ২২শে এপ্রিলের ভয়াবহ জঙ্গি হামলার একটি নতুন এবং অত্যন্ত বিচলিত করার মতো ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। এই ভিডিওতে সন্ত্রাসবাদের বীভৎস রূপ ধরা পড়েছে, যেখানে একজন সন্ত্রাসবাদীকে পর্যটকদের উপর নির্বিচারে গুলি চালাতে দেখা যাচ্ছে।
প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একজন সশস্ত্র সন্ত্রাসবাদী এলোপাথাড়ি গুলি চালাচ্ছে। গুলির শব্দে এবং আর্তনাদে গোটা এলাকা আতঙ্কিত। ভিডিওতে সাদা শার্ট পরা এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দেখা যায়। আজ তকের হাতে আসা এই ভিডিওটি ২২শে এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরান উপত্যকায় ঘটে যাওয়া হামলার বলে মনে করা হচ্ছে।
আজ তকের এক্সক্লুসিভ ভিডিওতে প্রথমে এক সন্ত্রাসবাদীকে একজন পর্যটককে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে দেখা যায়। সূত্রের খবর, বনাঞ্চলের আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে জঙ্গিরা এভাবেই আকস্মিকভাবে পর্যটকদের উপর হামলা চালায় এবং নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে। গুলিবর্ষণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পর্যটকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে তারা দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে ছুটতে থাকে। জঙ্গিরা বেছে বেছে পর্যটকদের নির্মমভাবে হত্যা করে। হামলার পর ঘটনাস্থলে খাবারের প্যাকেট, কৌটো এবং বনভোজনের অন্যান্য জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়, যা সেই ভয়াল মুহূর্তের সাক্ষী।
সতর্কতা: এই ভিডিওটির দৃশ্য অত্যন্ত বিচলিত করার মতো হতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২২শে এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরান উপত্যকায় ঘটে যাওয়া এই বর্বরোচিত জঙ্গি হামলায় ২৬ জন পর্যটক নিহত এবং ১৭ জন আহত হন। এই হামলার পর থেকেই ভারতীয় সেনাবাহিনী সন্ত্রাসবাদীদের খোঁজে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। বনাঞ্চলে চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
অন্যদিকে, হামলার মূল চক্রী এবং হামলাকারীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজও শুরু করেছে সেনাবাহিনী। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ হিসেবে ভারতীয় সেনাবাহিনী একের পর এক জঙ্গির বাড়ি এবং ডেরা খুঁজে বের করে তা বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দিচ্ছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, শনিবার সকালে আরও দুই জঙ্গির বাড়ি আইইডি (IED) বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলওয়ামার মুরানে লস্কর-ই-তৈবার সন্ত্রাসবাদী এহসান আহমেদ শেখের একটি দোতলা বাড়ি আইইডি ব্যবহার করে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া কুলগামেও এক সন্ত্রাসবাদীর বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর এই পদক্ষেপ জঙ্গিদের দমন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।