Salute: নিজেকে খাঁচাবন্দি করে, পাখিদের মুক্তির দাবি করলেন পরিবেশ কর্মী

খাঁচায় বন্দি সকল বন্যপ্রাণী মুক্তির দাবিতে নিজেকে খাঁচাবন্দি করে প্রতীকী আন্দোলনে নেমেছেন সাংবাদিক ও পরিবেশকর্মী হোসেন সোহেল। আগামী তিনদিন খাঁচায় নিজেকে বন্দী রাখবেন।
বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে রাজু ভাস্কর্যের পাশে শনিবার নিজেকে খাঁচায় বন্দি করেন তিনি।
বন্যপ্রাণী খাঁচায় বন্দি করা অমানবিক উল্লেখ করে হোসেন সোহেল বলেন, এই পৃথিবী কারো একার নয়, সবার। আমরা প্রকৃতিরই সন্তান। আমরা প্রকৃতিকে বাদ দিয়ে সব বিচার-বিশ্লেষণ করতে চাই। প্রকৃতিকে খাঁচায় বন্দি করে নির্যাতন করি। এটা নিষ্ঠুরতা।
তিনি বলেন, এটা আমার ব্যক্তি লড়াই। আমি একা কোনো সিস্টেম পরিবর্তন করতে পারবো না। তবে আমি দেখিয়ে দিলাম, কোনো পাখি বা বন্যপ্রাণী খাঁচায় বন্দী করা যাবে না, নিষ্ঠুর আচরণ করা যাবে না। টাকার বিনিময়ে এই অবলা প্রাণীগুলোকে আর নির্যাতন করা যাবে না।
খাঁচায় বন্দি থেকে প্রতিবাদ করে আরো বলেন, পশু-পাখিকে খাঁচায় বন্দি করে কেন নিষ্ঠুরতা দেখাচ্ছেন, টাকার বিনিময়ে কেন তাদের প্রদর্শন করছেন? পৃথিবীতো তাদেরও। চিন্তা করুন, তাদেরও তো পরিবার থাকতে পারতো, সন্তান হতে পারতো, সেও তো আকাশে উড়তে পারতো, সেও বনজঙ্গলে থাকতে পারতো, কেন তাদের ধরে এনে কাঁচায় বন্দি করছেন। কিসের আনন্দ এটা! সময় এসেছে মানবিক হওয়ার।
তার একজন সহযোগী বলেন, আগামী ৩ দিন হোসেন সোহেল খাঁচায় বন্দি থাকবেন। তিনি যদি এই সময়ে খাঁচা থেকে বেরও হন, তার পায়ে শিকল পরানো থাকবে।