শুধু ভারত নয় আমেরিকাতেও বাড়ছে জিনিসের দাম, মূল্যস্ফীতি বেড়ে ভাঙলো ১৯৮২-র রেকর্ড

যুক্তরাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়। কারণ কোনোভাবেই দেশটির মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। চলতি বছরের জুলাই মাসে দেশটির মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ১ শতাংশে, যা ১৯৮২ সালের ফেব্রুয়ারির পর সর্বোচ্চ। তাছাড়া জুনে মূল্যস্ফীতির এই হার ছিল ৯ দশমিক ৪ শতাংশ। বুধবার (১৭ আগস্ট) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে রয়টার্সের জরিপে অর্থনীতিবিদরা পূর্বাভাস দিয়েছিল জুলাইতে যুক্তরাজ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়াতে পারে ৯ দশমিক ৮ শতাংশে। কিন্তু তাদের এ পূর্বাভাস ছাড়িয়ে দেশটির মূল্যস্ফীতি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এদিকে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, দ্রব্যের মূল্য আরও বাড়তে পারে।

অন্যদিকে মন্দার আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি সুদের হার শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ করেছে, যা ১৯৯৫ সালের পর সর্বোচ্চ। তাছাড়া ব্যাংকটির পূর্বাভাসে বলা হয়, অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে সর্বোচ্চ ১৩ দশমিক ৩ শতাংশে দাঁড়াতে পারে। ফলে সেসময় জিনিসপত্রের মূল্য আরও বেড়ে যেতে পারে।

অ্যাসেট ম্যানেজার অ্যাবরাডনের সম্পদ ব্যবস্থাপনার সিনিয়র অর্থনীতিবিদ বলেন, মূল্যস্ফীতির উর্ধ্বগতিতে যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে। এতে মন্দার ঝুঁকি বাড়বে বলেও জানান তিনি।

তার মতো অনেক অর্থনীতিবিদই মনে করেন ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সেপ্টেম্বরে সুদের হার আরও অর্ধেক পয়েন্টভিত্তিতে বাড়িয়ে ২ দশমিক ২৫ শতাংশ করতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *