OMG! স্ত্রীর সঙ্গে ‘অবৈধ সম্পর্ক’, হাত-পা বেঁধে শিক্ষককে জ্যান্ত পুঁতে দিলেন স্বামী, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

হরিয়ানার চরকি দাদরি এলাকায় এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে震動 পড়েছে। স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের সন্দেহে এক ব্যক্তিকে জীবন্ত মাটিতে পুঁতে হত্যা করেছে তার স্বামী। ঘটনার প্রায় তিন মাস পর পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। নিহতের নাম জগদীপ (৩২), যিনি রোহতকের একটি স্কুলে যোগা প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন।

কীভাবে ঘটনাটি ঘটে?

গত ২৪ ডিসেম্বর স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে জগদীপকে অপহরণ করা হয়। অভিযুক্তরা তার মুখ কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলে এবং একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে একটি গর্ত খেড়ে রাখা হয়েছিল—স্থানীয় শ্রমিকদের বলা হয়েছিল এটি টিউবওয়েল বসানোর জন্য। ওই গর্তেই জীবন্ত অবস্থায় ফেলে মাটি চাপা দেওয়া হয় জগদীপকে।

অপহরণ থেকে হত্যা: পুলিশের তদন্ত

জগদীপের পরিবার ১০ দিন পর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে। তদন্তে দেখা যায়, জগদীপ এবং অভিযুক্ত একই আবাসনে থাকতেন। অভিযুক্তের স্ত্রীর সঙ্গে জগদীপের ঘনিষ্ঠতা ছিল বলে সন্দেহ করা হয়। এই সন্দেহের বশেই অভিযুক্ত জগদীপকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

পুলিশের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানান, জগদীপের ফোনের কল রেকর্ড এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তদন্ত এগোয়। দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যারা জেরায় হত্যার কথা স্বীকার করে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, মাটি চাপা দেওয়ার আগে জগদীপকে ছুরি দিয়ে আঘাতও করা হয়েছিল।

আরও জড়িত থাকলে তদন্ত

পুলিশ এখন খুঁজছে এই হত্যাকাণ্ডে আর কেউ জড়িত কিনা। স্থানীয়রা এই নৃশংস ঘটনায় шокিত এবং বিচারের দাবি জানিয়েছে।

এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে। অনেকে বলছেন, সন্দেহের ভিত্তিতে এমন বর্বরোচিত হত্যা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এই প্রবণতা রুখতে কঠোর পদক্ষেপের দাবি উঠেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ এবং প্রমাণ ধ্বংসের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শীঘ্রই আদালতে চার্জশিট পেশ করা হবে।