ডুপ্লিকেট এপিক কার্ড সম্পর্কে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? জানতে চাইল কমিশন

ভুতুড়ে ভোটার এবং এপিক কার্ডের কারচুপি নিয়ে আগে থেকেই সরব ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে কিছু অসাধু ব্যক্তি এবং দল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। মমতার অভিযোগের পরই নির্বাচন কমিশন এপিক কার্ডের নিয়মে পরিবর্তন আনতে উদ্যোগী হয়। এবার, ডুপ্লিকেট এপিক কার্ড সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে চেয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

৩১ মার্চের মধ্যে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দফতরকে। কমিশন জানতে চেয়েছে, এখন পর্যন্ত ডুপ্লিকেট এপিক কার্ডের বিরুদ্ধে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং কেমন গাফিলতি ধরা পড়েছে। বিশেষ করে, ডুপ্লিকেট এপিক কার্ড কীভাবে বাতিল করা হয়েছে এবং বিভিন্ন জেলার নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কী কী বৈঠক হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

এদিকে, নির্বাচন কমিশন ডুপ্লিকেট এপিক কার্ডের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে, যাতে ভবিষ্যতে নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় থাকে। রাজ্যের নির্বাচন অফিসারের কাছে এই বিষয়ে আরও তথ্য চাওয়া হয়েছে, যাতে ভোট ব্যবস্থায় কোনো ধরনের কারচুপির আশঙ্কা না থাকে।

রাজনৈতিক মহলে, বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো হয়েছে এবং দাবি করা হয়েছে যে, এটি নির্বাচনী ব্যবস্থার শুদ্ধিকরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এখন সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো দ্রুত এপিক কার্ডের ডুপ্লিকেট শনাক্ত করার জন্য আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে কাজ শুরু করেছে।