বিজেপি নেতা অরুণ হাজরার নামে CBI -র সমন ,এক মাসের মধ্যে আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ

বিজেপি নেতা অরুণ হাজরার নামে সমন জারি করেছে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)। সিবিআই-এর বিশেষ আদালত তাকে এক মাসের মধ্যে আদালতে এসে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। সিবিআই-এর চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে যে, অরুণ হাজরা এজেন্ট নিয়োগ করে চাকরি বিক্রির নামে ৭৮ কোটি টাকা বাজার থেকে তুলেছিলেন। এই অভিযোগে সিবিআই তার বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
অরুণ হাজরা, যিনি বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, এর আগেও বিভিন্ন অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। তবে এবার সিবিআই-এর সমন তার বিরুদ্ধে নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে এসেছে। চার্জশিটে সিবিআই উল্লেখ করেছে যে, অরুণ হাজরা বেআইনি ভাবে চাকরি বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন এবং তার এই কর্মকাণ্ডে একাধিক ব্যক্তি জড়িত ছিলেন।
এদিকে, বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে ঢাকুরিয়ায় খাস পার্টি অফিসের আশপাশে পোস্টার পড়েছে। পোস্টারে মারাত্মক অভিযোগ আনা হয়েছে যে, দক্ষিণ কলকাতা বিজেপি কর্মীবৃন্দের নামে টাকা ও উৎকোচের বিনিময়ে দলে পদ বিলি করা হচ্ছিল। এই পোস্টারগুলির বিরুদ্ধে পাল্টা জবাব দিয়েছেন বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতি, যিনি দাবি করেছেন যে, এই পোস্টারগুলির পেছনে তৃণমূল কংগ্রেসের ইন্ধন রয়েছে। তিনি এটিকে একেবারে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
তৃণমূল কংগ্রেস পাল্টা জবাব দিয়ে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং দাবি করেছে যে, বিজেপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণেই এমন ঘটনা ঘটছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতি বিজেপির জন্য বড় ধরনের অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং দলের অন্দরেই নতুন বিভেদ তৈরি করতে পারে।
এখনও পর্যন্ত সিবিআই-এর তরফ থেকে অরুণ হাজরাকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি, তবে এই ঘটনা রাজনীতির অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।