“আমরা কোনও সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নই, কিন্তু…”- বললেন শুভেন্দু অধিকারী

রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে এবার সরাসরি আক্রমণে গেলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির অভিযোগ তুলে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন— “আমরা কোনও সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নই, কিন্তু তৃণমূলের নীতির বিরোধী।”
শুভেন্দুর বক্তব্য:”যে সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আপনাদের উসকানো হচ্ছে, আমরা তাঁদের বিরোধী নই। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়ছি।তৃণমূলের কাজ হওয়া উচিত চাকরির হিসাব দেওয়া, শিল্পের উন্নয়ন করা। কিন্তু তারা তার পরিবর্তে তোষণের রাজনীতি করছে।মাস বিরোধী দলনেতাকে বিধানসভার বাইরে রাখলেন! এবার তো মাত্র দুটো সেশন বাকি, যা পারেন করে নিন।”অরবিন্দ কেজরিওয়াল যেখানে গেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেখানে যাবেন।”
বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতি করছে। শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী— “৩৩ শতাংশ ভোটব্যাঙ্ককে ধরে রাখতেই তৃণমূল তোষণের রাজনীতি করছে।তৃণমূলের নেতারাই সরস্বতী পুজো বন্ধ করেছে।”এদের নেতা আলামিন মণ্ডল, সাবির আলিরা পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করছে।”
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই হিন্দু ভোটের ওপর জোর দিচ্ছে বিজেপি।‘হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই’ স্লোগান তোলা হয়েছে রাজ্যজুড়ে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু ঘোষণা করেছেন, রাম নবমীতে ১ কোটি হিন্দুকে পথে নামার ডাক দেওয়া হয়েছে।বিজেপি ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বড়সড় কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছে।
পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘উন্নয়ন’ প্রচার, অন্যদিকে বিজেপির ‘হিন্দু ভোট সংহতি’ বার্তা— দুই পক্ষই নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আগামী দিনে বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে এই লড়াই আরও কঠোর হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না!