“খুব সুন্দর মূহূর্ত কাটালাম”-বিয়ের আগে প্রেমিককে নিয়ে ট্যুর মধুমিতার, দিলেন বিশেষ বার্তা

বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার ফের প্রেমে পড়েছেন। ২০১৫ সালে সহকর্মী সৌরভ চক্রবর্তীকে বিয়ে করেছিলেন তিনি, কিন্তু সেই সম্পর্ক বেশিদিন টেকেনি। বিচ্ছেদের পর নতুন প্রেমিক দেবমাল্য চক্রবর্তীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন মধুমিতা। পাঁচ মাসের এই সম্পর্ক ইতিমধ্যে বিয়ের দিকে এগোচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, আগামী ডিসেম্বর বা ২০২৬ সালের মধ্যে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন এই জুটি।
প্রথম বিয়ের স্মৃতি
মধুমিতার প্রথম সিরিয়াল ‘সবিনয় নিবেদন’-এর সেটে সৌরভের সঙ্গে আলাপ হয়। সেখান থেকে প্রেম গড়ে উঠে এবং ২০১৫ সালে বিয়ে করেন তারা। কিন্তু বিয়ের কয়েক বছরের মধ্যেই সম্পর্কে ফাটল ধরে, শেষে বিচ্ছেদে পরিণত হয়। এরপর মধুমিতা নিজের ক্যারিয়ারে মনোযোগ দেন এবং জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু করেন।
দেবমাল্যর সঙ্গে নতুন শুরু
দেবমাল্য চক্রবর্তীর সঙ্গে মধুমিতার সম্পর্ক শুরু হয়েছে মাত্র পাঁচ মাস আগে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই তারা একে অপরের কাছাকাছি এসেছেন। প্রায়ই তাদের একসঙ্গে কোয়ালিটি টাইম কাটাতে দেখা যায়। সম্প্রতি দোল উদযাপনের জন্য গ্যাংটকের ইউমথাং ভ্যালিতে গিয়েছিলেন এই জুটি। সেখানে বরফের রাজ্যে প্রেমিকের সঙ্গে খুনসুটিতে মেতে ওঠার ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন মধুমিতা।
দোলের বরফে প্রেম
গ্যাংটক থেকে শেয়ার করা পোস্টে মধুমিতা লেখেন, “হোলিতে ভিন্নতা আনলাম বরফ দিয়ে। এ বছর আমরা ইউমথাং ভ্যালিতে খুব সুন্দর মুহূর্ত কাটালাম। এর চেয়ে ভালো আর কিছু হয় নাকি! সকলকে (একটু দেরিতে) দোলের শুভেচ্ছা।” বরফে ঢাকা পাহাড়ের মাঝে দেবমাল্যর সঙ্গে রোমান্টিক মুহূর্তের এই ছবি ভক্তদের মন জয় করেছে।
অনুরাগীদের শুভেচ্ছা
বিয়ের খবরে এবং দোলের রোমান্টিক ছবিতে মধুমিতার অনুরাগীরা আপ্লুত। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই এই জুটির জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। এক নেটিজেন লিখেছেন, “মধুমিতা ও দেবমাল্যর জুটি সত্যিই দারুণ। বিয়ের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।” আরেকজন লেখেন, “দোলের বরফে প্রেম দেখে মন ভরে গেল। শুভকামনা রইল।”
নতুন জীবনের প্রত্যাশা
প্রথম বিয়ের ব্যর্থতার পর মধুমিতা ফের প্রেমে সুযোগ দিয়েছেন। দেবমাল্যর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এবং বিয়ের পরিকল্পনা তাঁর জীবনে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে। ভক্তরাও এই তারকা জুটির নতুন অধ্যায়ের জন্য উৎসুক। আগামী ডিসেম্বর বা ২০২৬-এর মধ্যে বিয়ের ঘণ্টা বাজলে মধুমিতার জীবনে পূর্ণতা আসবে বলেই মনে করছেন সবাই।