“মুঘলরা পুঁতে রেখেছে গুপ্তধন”- সিনেমা দেখে গুপ্তধনের খোঁজে গ্রামবাসী, চলল খোঁড়াখুঁড়ি

সিনেমা অনেকসময়ই বাস্তবনির্ভর গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি। তাই বলে পর্দার গল্প যে বাস্তবেও ঘটবে এমনটা কিন্তু নয়। কারণ সিনেমার বেশির ভাগই থাকে অবাস্তব ও কাল্পনিক।
তবে ভারতে সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ছাবা’ সিনেমা যেন দর্শকদের ওপর একটি বেশিই প্রভাব ফেলেছে। যেই সিনেমার গল্প ছিল, মুঘল আমলের।
সিনেমায় দেখানো হয়, ভারতের মধ্যপ্রদেশের এক জায়গা ছিল মুঘলদের বাস। মাটির নিচে সে সময়ে মুঘলরা পুঁতে রেখেছিল মূল্যবান গুপ্তধন।
আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, সিনেমার এই গল্প দেখে গুপ্তধনের খোঁজে বেরিয়েছে একদল গ্রামবাসী। রাতভর চলেছে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি! ভারতের মধ্যপ্রদেশের একটি গ্রামে ঘটেছে এমন অদ্ভুত ঘটনা।
ভিকি কৌশল অভিনীত ছাবা সিনেমাটি ইতোমধ্যেই ভালো সাড়া ফেলেছে। অল্প দিনেই ৫০০ কোটি রুপির গণ্ডি টপকে বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে।
ছাবা সিনেমায় মধ্যপ্রদেশের বুরহানপুরের নাম নেওয়া হয়েছে। দেখানো হয়েছে, এককালে মুঘলদের বাস ছিল সেখানে। আর তা থেকেই কিছু মানুষের মনে হয়েছে, এখানেই লুকিয়ে আছে মুঘলদের গুপ্তধন!
রাতের অন্ধকারে টর্চ-শাবল-গাঁইতি নিয়ে খননকার্য চালিয়েছে বুরহানপুরের আসিরগড়ের জনতা। তাদের ধারণা, মাটি খুঁড়ে মুঘল আমলের স্বর্ণমুদ্রা কিংবা গুপ্তধনের হদিস মিললেও মিলতে পারে। অনেকে দাবি করেছেন, ওই এলাকায় নাকি কেউ কেউ স্বর্ণমুদ্রা দেখতেও পেয়েছেন।
জানা গেছে, আসিরগড় দুর্গের চারপাশে পুরোদমে চলেছে খননকার্য। এমনকি মেটাল ডিটেক্টর দিয়েও চারপাশ পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে, সোনাদানা কোথাও লুকিয়ে আছে কি না!
আসিরগড়ের বাসিন্দাদের এমন খোঁড়াখুঁড়িতে বিরক্ত সেই অঞ্চলের জমির মালিকেরা। আপত্তি জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। কে শোনে কার কথা? পরে পুলিশের সাহায্যে খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধ করা হয়।