খুলতে পারে ভারতের কপাল? ১০০ বছরের মাইলফলক স্পর্শে অন্য ভাবনা FIFA-র

ফুটবল বিশ্বকাপ, যা ১৯৩০ সালে শুরু হয়েছিল, ১০০ বছরের মাইলফলক স্পর্শ করতে চলেছে। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা, ফিফা (FIFA), এই সেঞ্চুরি উদযাপনকে আরও বিশেষ ও স্মরণীয় করতে একটি নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের আয়োজনে ফিফা এমন এক কাঠামো তৈরি করতে চায়, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও বেশি দেশ অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।
২০২৬ সালের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ৩২টি দলের বদলে ৪৮টি দল অংশ নেবে, যা ম্য়াচের সংখ্যা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা বৃদ্ধি করবে। তবে ফিফা এখানেই থেমে থাকতে চায় না। ২০৩০ সালে বিশ্বকাপের ১০০ বছর পূর্তিতে, ফিফা আরও একটি নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে চাইছে – এই বছরের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সংখ্যা ৪৮টির বদলে ৬০টি হতে পারে।
এছাড়া, এই বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলোর মধ্যে মরক্কো, স্পেন ও পর্তুগাল যুক্ত হলেও, বিশেষ কারণে আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে এবং উরুগুয়েও ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। কারণ, ১৯৩০ সালে এই তিন দেশই ছিল প্রথম বিশ্বকাপের আয়োজক। এর ফলে, ঐতিহাসিক এই সেঞ্চুরিতে আরও বেশি দেশকে সম্মান জানানো হবে।
ফিফার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, “১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ৬৪টি দেশ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারে কিনা, এই প্রস্তাব আসলেই ওঠেছে। যদিও এ নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।”
এই নতুন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে, অনেক ছোট ফুটবলপ্রেমী দেশ, যারা এখনো বিশ্বকাপে সুযোগ পায়নি, তাদের জন্য দারুণ সুযোগ তৈরি হবে। এমনকি ভারতও হয়তো ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ পেতে পারে, যা দেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এক বিশাল উৎসাহের খবর হবে।
বিশ্বকাপের এই সেঞ্চুরি আয়োজনকে স্মরণীয় করতে ফিফার ভাবনা আরও চমকপ্রদ। বড় দেশগুলোর পাশাপাশি, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সারির দেশগুলোর জন্যও সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হলে, বিশ্ব ফুটবলে আরও অনেক দেশকে পরিচিতি পাওয়া সম্ভব। ২০৩০ সালে ফুটবল বিশ্বকাপকে শুধু একটি টুর্নামেন্ট হিসেবেই নয়, বরং এক ঐতিহাসিক উদযাপন হিসেবেও মেনে নেয়া হবে।