২০৩১ সালে দেশের প্রধান বিচারপতি হতে পারেন বিচারপতি বাগচী, ইতিহাসের পথে এগিয়ে বাংলার গর্ব

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী (Justice Jaymalya Bagchi) এবার সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে যোগ দিতে চলেছেন। সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁর নাম দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতি হিসেবে সুপারিশ করেছে। শুধু তাই নয়, ২০৩১ সালের ২৬ মে তিনি ভারতের প্রধান বিচারপতির দায়িত্বও পেতে পারেন। এই সম্ভাবনা নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বিচার বিভাগ থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। তাঁর নেতৃত্বেই বিচারপতি বাগচীর নাম সুপ্রিম কোর্টে যোগদানের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। বিচারপতি বাগচীর অভিজ্ঞতা, ন্যায়বোধ এবং বিচক্ষণতাই এই সুপারিশের মূল কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

২০১১ সালের ২৭ জুন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে কাজ শুরু করেন জয়মাল্য বাগচী। সাময়িকভাবে তাঁকে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টে বদলি করা হলেও, ৮ নভেম্বরের মধ্যেই তিনি কলকাতায় ফিরে আসেন। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান প্রশংসিত হয়েছে।

২০৩১ সালের ২৫ মে বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের অবসরের পর, জয়মাল্য বাগচীই প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নিতে পারেন বলে আলোচনা চলছে। এই সম্ভাবনা নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের অন্দরমহলেও।

শেষবার ২০১৩ সালে প্রধান বিচারপতির পদে ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি আলতামাস কবীর। তাঁর অবসরের পর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে কলকাতা হাইকোর্টের কোনো বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের সর্বোচ্চ পদে বসেননি। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বাঙালি বিচারপতি হিসেবে রয়েছেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। এবার সেই তালিকায় নতুন সংযোজন হতে চলেছেন বিচারপতি বাগচী।

২০৩১ সালে কী হবে, তা সময়ই বলবে। তবে সুপ্রিম কোর্টের অন্দরে এই আলোচনা শোনা যাচ্ছে এখন থেকেই। দেশবাসী কি বাঙালি প্রধান বিচারপতি হিসেবে জয়মাল্য বাগচীকে পাবেন? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে এখন থেকেই নজর থাকবে ২০৩১ সালের দিকে।