ছত্তিশগড়ে সেনার এনকাউন্টারে খতম ১২ মাওবাদী, ঘটনাস্থলে শহিদ ২ জওয়ান

ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এক উত্তপ্ত এনকাউন্টার ঘটেছে, যেখানে ১২ জন মাওবাদী নিহত হয়েছেন। এ সংঘর্ষে শহিদ হয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর দুই জওয়ান, এবং আরও দুই জওয়ান আহত হয়েছেন, যাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।
পুলিশ জানায়, রবিবার সকাল বেলায় ছত্তিশগড় ও মহারাষ্ট্র সীমান্তে অবস্থিত ইন্দ্রাবতী জাতীয় উদ্যান এলাকায় মাওবাদী বিরোধী অভিযানে গিয়েছিল নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দল। যখন বাহিনীর সদস্যরা জঙ্গলের মধ্যে প্রবেশ করেন, তখন মাওবাদীরা তাঁদের ওপর অতর্কিত গুলি চালায়। পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে বাহিনীও।
বস্তার পুলিশ জানিয়েছে, এই এনকাউন্টার সাইট থেকে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তল্লাশি অভিযান এখনো চলছে এবং নিহত মাওবাদীদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
এদিকে, গত ১ ফেব্রুয়ারি বিজাপুরের গাঙ্গালুর এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে আরও একটি এনকাউন্টার হয়, যাতে ৪ মাওবাদী নিহত হন। জানুয়ারি মাসে, ছত্তিশগড় ও ওড়িশার সীমান্তবর্তী গড়িয়াবন্দ জেলায় এক বড় এনকাউন্টার ঘটে, যেখানে ১৬ জন মাওবাদী নিহত হয়। এর মধ্যে চালাপাঠি নামক মাওবাদী নেতা ছিলেন, যার মাথার দাম ছিল ৯০ লক্ষ টাকা।
২০২৩ সালে রাজ্যে বিজেপি সরকারের গঠনের পর থেকে ছত্তিশগড় পুলিশ নকশাল বিরোধী অভিযানে একাধিক সফল এনকাউন্টার চালিয়েছে। এখন পর্যন্ত ৬০ জনেরও বেশি মাওবাদী নিহত হয়েছে, এবং ২০২৩ সাল থেকে ২১৯ জন মাওবাদীকে খতম করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে ছত্তিশগড়কে নকশালমুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন।
এলাকায় তল্লাশি অভিযান এবং মাওবাদী দমনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।