মাধ্যমিক হবে ফেব্রুয়ারিতে, অ্যাডমিট কার্ড কবে দেওয়া হবে? জেনেনিন এক নজরে সকল তথ্য

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। এ বছর ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড ৩০ জানুয়ারি থেকে বিতরণ করা হবে। চলবে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। অ্যাডমিট কার্ডে কোনো ভুল থাকলে তা ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশোধন করা যাবে।
অ্যাডমিট কার্ড বিতরণ ও সংশোধনের নিয়ম:
৩০ জানুয়ারি সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পর্ষদের ক্যাম্প অফিস থেকে স্কুলগুলিকে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হবে।
অ্যাডমিট কার্ডে কোনো ভুল থাকলে স্কুল কর্তৃপক্ষকে ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পর্ষদের অফিসে লিখিত দরখাস্তের মাধ্যমে জানাতে হবে।
অ্যাডমিট কার্ড সংশোধনের কোনো অনলাইন আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
মাধ্যমিক পরীক্ষার রুটিন:
১০ ফেব্রুয়ারি (সোমবার): প্রথম ভাষা
১১ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার): দ্বিতীয় ভাষা
১৫ ফেব্রুয়ারি (শনিবার): অঙ্ক
১৭ ফেব্রুয়ারি (সোমবার): ইতিহাস
১৮ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার): ভূগোল
১৯ ফেব্রুয়ারি (বুধবার): জীবনবিজ্ঞান
২০ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার): ভৌতবিজ্ঞান
২২ ফেব্রুয়ারি (শনিবার): ঐচ্ছিক বিষয়
পরীক্ষার সময়সূচি:
সকাল ১০:৪৫ মিনিটে পরীক্ষা শুরু।
দুপুর ২টো নাগাদ পরীক্ষা শেষ।
প্রথম ১৫ মিনিট প্রশ্নপত্র পড়ার জন্য বরাদ্দ।
সকাল ১১টা থেকে লেখা শুরু।
লেখার জন্য ৩ ঘণ্টা সময়।
বিশেষ ব্যবস্থা:
প্রথমবারের মতো বিশেষভাবে সক্ষম শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা রুলটানা উত্তরপত্র পাঠানো হবে। উত্তরপত্রের প্যাকেটের উপর ‘সিডব্লিউএসএন’ (চিল্ড্রেন উইথ স্পেশ্যাল নিড) লেখা থাকবে।
রেজিস্ট্রেশনের শেষ সুযোগ:
যারা এখনও নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেনি, তাদের জন্য ১৬ জানুয়ারি সকাল ১১টা থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে, এবার লেট ফাইন দিতে হবে।
শিক্ষকদের জন্য গাইডলাইন:
মাধ্যমিক পরীক্ষায় নিয়োজিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য পর্ষদ ১১ দফা গাইডলাইন প্রকাশ করেছে:
নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে হবে।
পর্ষদের নির্দেশ যথাযথভাবে মানতে হবে।
পরীক্ষার্থীদের উপর কড়া নজর রাখতে হবে এবং কোনো আপত্তিকর বিষয় নজরে এলে ব্যবস্থা নিতে হবে।
পরীক্ষা হল, শৌচালয় সহ সমস্ত পরীক্ষাকেন্দ্রে নজর রাখতে হবে।
পরীক্ষা সংক্রান্ত পর্ষদের বৈঠকে যোগ দিতে হবে।
পরীক্ষার পর উত্তরপত্র সুরক্ষিত রাখতে হবে।
যে স্কুলে সেন্টার নেই, সেখানকার শিক্ষকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে।
এই গাইডলাইনগুলি নকল রোধ এবং সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা পরিচালনার জন্য জারি করা হয়েছে।