রোজ় ভ্যালির বাজেয়াপ্ত হোটেল চালিয়ে ব্যবসা! তথ্য দেখে তাজ্জব হাইকোর্ট

সারদা কেলেঙ্কারির পর রাজ্যে আরেকটি বড় ধরনের বেআইনি অর্থলগ্নি কেলেঙ্কারি হল রোজ ভ্যালি। এই কেলেঙ্কারিতে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ প্রতারিত হয়েছেন। তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া টাকায় গড়ে উঠেছিল রোজ ভ্যালির বিশাল সম্রাজ্য। কিন্তু এই সম্পত্তিগুলির সঠিক ব্যবহার ও প্রতারিতদের টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে বারবার অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
রোজ ভ্যালির বাজেয়াত হওয়া হোটেলসহ অন্যান্য সম্পত্তিগুলি এখনও চালু রয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও এই সম্পত্তি বিক্রি করে প্রতারিতদের টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।এই সম্পত্তিগুলির তদারকি ও বিক্রির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বিচারপতি দিলীপ শেঠের নেতৃত্বাধীন একটি কমিটিকে। কিন্তু এই কমিটির কাজকর্ম নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
হাইকোর্ট বারবার নির্দেশ দিয়েছে যে, এই সম্পত্তি বিক্রি করে প্রতারিতদের টাকা ফেরত দিতে হবে। কিন্তু এই নির্দেশ অমান্য হচ্ছে।রোজ ভ্যালির সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে মামলা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, এই সম্পত্তিগুলির ব্যবহারে অনিয়ম হচ্ছে।
হাজার হাজার সাধারণ মানুষ এই কেলেঙ্কারিতে প্রতারিত হয়েছে। তাদের জীবন বিপর্যস্ত হয়েছে।এই ঘটনা দেখায় যে, আইন সকলের জন্য সমান নয়। শক্তিশালীরা আইনকে ফাঁকি দিয়ে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করছে।সরকারকে এই ধরনের কেলেঙ্কারি রোধ করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
রোজ ভ্যালি কেলেঙ্কারি একটি গুরুতর সমস্যা। এই কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। প্রতারিতদের টাকা ফেরত দিতে হবে এবং এই ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।