গোয়েন্দা নেটওয়ার্কে জোর, ফিরছে ময়নাতদন্তের চালানও, থাকছে একাধিক নির্দেশ

কলকাতায় ঘটে যাওয়া দুটি ভয়াবহ ঘটনা, আরজি কর হাসপাতালে এক তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুন এবং পুরসভার বোরো চেয়ারম্যান সুশান্ত ঘোষকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা, কলকাতা পুলিশের ভাবমূর্তিকে ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। জনসাধারণের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা হারাতে শুরু করেছে।

এই পরিস্থিতিতে কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার মনোজ ভার্মা পুলিশের কার্যক্ষমতা বাড়াতে এবং জনসাধারণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে?
বিভিন্ন থানার ওসি এবং গোয়েন্দা বিভাগের অফিসারদের নিয়ে একটি জোরালো নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় মর্গ থেকে দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানোর সময় চালান দেওয়ার বাধ্যতামূলক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অস্ত্র কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরজি কর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন করে জোর দেওয়া হয়েছে।টালা থানার তদন্ত পদ্ধতি সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে পড়ায় তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

কেন এই পদক্ষেপ?

জনসাধারণের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে।
অপরাধ দমন করতে।
পুলিশের কার্যক্ষমতা বাড়াতে।

কলকাতা পুরসভার মেয়রের মন্তব্য:

কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম কসবার ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় সে বিষয়ে পুলিশকর্মীদের সতর্ক থাকতে বলেছেন।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ:

সুপ্রিম কোর্ট ময়না তদন্তের জন্য চালান দেওয়ার বিষয়ে রাজ্যকে জবাব তলব করেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা পুলিশ চালান পদ্ধতি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কলকাতা পুলিশ জনসাধারণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং অপরাধ দমনে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগ কতটা সফল হবে তা দেখার বিষয়।